খবরিয়া ২৪ ডেস্ক, ৬ জানুয়ারিঃ অবশেষে নির্ধারিত সময়ের প্রায় দু’ঘণ্টা পর আকাশপথে বীরভূমের রামপুরহাটের উদ্দেশ্যে রওনা দিলেন তৃণমূল কংগ্রেসের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। মঙ্গলবার দুপুরে বেহালা ফ্লাইং ক্লাব থেকে তাঁর নির্ধারিত কপ্টার উড়তে না পারায় রাজনৈতিক উত্তেজনা ছড়ায়। তৃণমূলের অভিযোগ, রাজনৈতিক কারণেই অভিষেকের কপ্টার ওড়ার অনুমতি দেওয়া হয়নি। শেষ পর্যন্ত ঝাড়খণ্ডের মুখ্যমন্ত্রী হেমন্ত সোরেনের কপ্টার ভাড়া করে রামপুরহাটের পথে রওনা দেন তিনি।
তৃণমূল সূত্রে জানা গিয়েছে, মঙ্গলবার বেলা ১২টায় বেহালা ফ্লাইং ক্লাব থেকে কপ্টারে করে রামপুরহাট যাওয়ার কথা ছিল অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের। কিন্তু প্রশাসনিক কারণ দেখিয়ে ডিরেক্টরেট জেনারেল অফ সিভিল এভিয়েশন (DGCA) সেই কপ্টার ওড়ার অনুমতি দেয়নি বলে অভিযোগ। ফলে বেহালা ফ্লাইং ক্লাবেই আটকে পড়েন তৃণমূলের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক। যদিও প্রশাসনের তরফে এটিকে প্রযুক্তিগত ও নিরাপত্তাজনিত কারণ বলা হলেও তৃণমূল শিবির তা মানতে নারাজ। তাঁদের দাবি, বিজেপির তরফে পরিকল্পিতভাবেই রাজনৈতিক বাধা সৃষ্টি করা হয়েছে।
মঙ্গলবার দুপুর দেড়টায় রামপুরহাটে অভিষেকের সভা করার কথা ছিল। তার জন্য মঞ্চ, ব্যারিকেড ও মাইক-সহ সব প্রস্তুতি সম্পূর্ণ ছিল। দুপুরের আগেই কর্মী-সমর্থকদের ভিড় জমতে শুরু করে। সভা শেষে দুবরাজপুরে গিয়ে সোনালি বিবির সঙ্গে দেখা করার কর্মসূচিও ছিল তাঁর। বাংলাদেশি তকমা ও বিতর্কিত অভিযোগ ঘিরে এই সাক্ষাৎ রাজনৈতিকভাবে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ বলে মনে করা হচ্ছিল।
কিন্তু কপ্টার না ওড়ায় গোটা কর্মসূচি ঘিরে অনিশ্চয়তা তৈরি হয়। শেষ পর্যন্ত প্রয়োজনে সড়কপথে যাওয়ার কথাও ভাবা হচ্ছিল। পরে ঝাড়খণ্ডের মুখ্যমন্ত্রীর কপ্টার ভাড়া করা হলে পরিস্থিতি কিছুটা স্বস্তির হয়।
সূত্রের খবর, দেরিতে পৌঁছনো এবং একাধিক কর্মসূচির কারণে এদিন রাতে তারাপীঠে থাকার সম্ভাবনা রয়েছে অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের। উল্লেখযোগ্যভাবে, এদিন সকালেই গঙ্গাসাগর থেকে কলকাতা ফেরার সময় কুয়াশার জেরে মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের কপ্টার ওড়াতেও দেরি হয়েছিল।





