কলকাতা, ২৪ জুলাইঃ বিধানসভায় টানা দু’দিনের অশান্তির পর বেলেঘাটার তৃণমূল বিধায়ক কুণাল ঘোষের বিরুদ্ধে স্বাধিকার ভঙ্গের নোটিস আনলেন পরিষদীয় মন্ত্রী শংকর ঘোষ। শুক্রবার অধিবেশনে তিনি অভিযোগ করেন, কুণালের আচরণে স্পিকারের চেয়ার অসম্মানিত হয়েছে এবং তা বিধানসভার মর্যাদার পরিপন্থী। অধ্যক্ষ রথীন্দ্র ঘোষ জানান, নোটিসটি গ্রহণ করা হয়েছে। তবে একই সঙ্গে তিনি দুই পক্ষকেই সংযত থাকার বার্তা দেন।
বুধবার নাম থাকা সত্ত্বেও বক্তব্য রাখার সুযোগ না পাওয়ার অভিযোগে ক্ষোভ প্রকাশ করেছিলেন কুণাল। সেই ঘটনাকে কেন্দ্র করে বিধানসভায় ধাক্কাধাক্কি, বিক্ষোভ এবং হট্টগোলের পরিস্থিতি তৈরি হয়। পরে তাঁকে অধিবেশন থেকে সাসপেন্ড করা হয় এবং মার্শাল ডেকে বাইরে বের করে দেওয়া হয়। বৃহস্পতিবারও সেই ঘটনার রেশ কাটেনি। অধিবেশন শুরু হতেই আগের দিনের ঘটনা প্রসঙ্গে আলোচনা উঠলে স্পিকার সেটিকে ‘কলঙ্কজনক’ বলে মন্তব্য করেন। ওই মন্তব্যের প্রতিবাদে সরব হন ‘কালীঘাট তৃণমূল’-এর বিধায়করা।
শুক্রবার সেই ঘটনার জেরেই স্বাধিকার ভঙ্গের নোটিস আনা হয়। জবাবে কুণাল বলেন, তিনি কখনও স্পিকারের চেয়ারকে অসম্মান করার উদ্দেশ্যে কিছু করেননি। তাঁর কথায়, “আপনার যদি মনে হয়ে থাকে আমি চেয়ারকে অসম্মান করেছি, তবে আমি দুঃখিত। আমার প্রতিবাদ ছিল প্রতীকী। আমাকে বক্তব্য রাখার সুযোগ না দেওয়ার বিরুদ্ধেই আমি প্রতিবাদ জানিয়েছি।”
অধ্যক্ষ রথীন্দ্র ঘোষ জানান, বিষয়টি বিধানসভার নিয়ম অনুযায়ী বিবেচনা করা হবে। একই সঙ্গে তিনি ‘কালীঘাট তৃণমূল’ ও ঋতব্রত শিবিরের অভ্যন্তরীণ মতপার্থক্য নিজেদের মধ্যেই মিটিয়ে নেওয়ার পরামর্শ দেন। বিধানসভার মর্যাদা অক্ষুণ্ণ রাখার আহ্বানও জানান তিনি।





