দিনহাটা, ২৯ অক্টোবরঃ বৌদি তৃণমূলের পঞ্চায়েত সদস্যা। সেই রাজনৈতিক পরিচয়ের কারণেই কি হামলা? দিনহাটার বড়শাকদল গ্রাম পঞ্চায়েতের কুচনি এলাকায় এক গৃহশিক্ষক ও তাঁর আট মাসের অন্তঃসত্ত্বা স্ত্রীকে মারধরের অভিযোগ ঘিরে চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে। আক্রান্ত দম্পতির অভিযোগ, এই হামলার পিছনে রয়েছেন বিজেপির সঙ্গে যুক্ত কয়েক জন। যদিও অভিযোগের সত্যতা এখনও স্বাধীন ভাবে যাচাই করা যায়নি।
অভিযোগ, বুধবার রাতে টিউশন পড়িয়ে বাড়ি ফিরছিলেন গৃহশিক্ষক দেবজিৎ বর্মন। সেই সময় সাত-আট জনের একটি দল তাঁর উপর অতর্কিতে হামলা চালায়। কোনও রকমে তাঁদের হাত থেকে রক্ষা পেয়ে বাড়িতে ঢোকেন দেবজিৎ। কিন্তু সেখানেও রেহাই মেলেনি বলে অভিযোগ। তাঁর আট মাসের অন্তঃসত্ত্বা স্ত্রী প্রিয়া পালের উপরও হামলা চালানো হয় বলে দাবি আক্রান্ত পরিবারের। বর্তমানে দু’জনেই হাসপাতালে চিকিৎসাধীন বলে জানা গিয়েছে।
দেবজিৎ ও প্রিয়ার অভিযোগ, স্থানীয় নেত্রী মাম্পি সরকার, তাঁর স্বামী সমীর সরকার, বুথ সভাপতি রাজেশ বর্মন-সহ আরও কয়েক জন এই হামলার সঙ্গে যুক্ত। আক্রান্তদের দাবি, দেবজিতের বৌদি তৃণমূলের পঞ্চায়েত সদস্যা হওয়ায় রাজনৈতিক আক্রোশ থেকেই তাঁদের নিশানা করা হয়েছে। তবে এই অভিযোগের প্রেক্ষিতে অভিযুক্তদের বক্তব্য জানা যায়নি।
ঘটনায় এলাকায় রাজনৈতিক উত্তেজনা ছড়িয়েছে। বিশেষত, আট মাসের অন্তঃসত্ত্বা এক মহিলাকে মারধরের অভিযোগ সামনে আসায় উদ্বেগ তৈরি হয়েছে। আক্রান্ত পরিবারের অভিযোগ, টিউশন পড়িয়ে বাড়ি ফেরার পথে একজন গৃহশিক্ষকের উপর হামলা এবং তার পর বাড়িতে ঢুকে তাঁর স্ত্রীর উপর আক্রমণের ঘটনায় তাঁরা নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছেন।
ঘটনার নেপথ্যে রাজনৈতিক বিবাদ রয়েছে কি না, তা তদন্তের বিষয়। আক্রান্ত দম্পতির তোলা অভিযোগের সত্যতা যাচাই এবং হামলার সঙ্গে কারা জড়িত, তা নির্ধারণ করা জরুরি। একই সঙ্গে অন্তঃসত্ত্বা মহিলার নিরাপত্তা ও চিকিৎসার বিষয়টিও গুরুত্বপূর্ণ। আপাতত হাসপাতালে চিকিৎসাধীন দেবজিৎ ও প্রিয়া। তাঁদের অভিযোগের ভিত্তিতে কী পদক্ষেপ করা হয়, অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে কোনও ব্যবস্থা নেওয়া হয় কি না, সেদিকেই নজর রয়েছে এলাকার বাসিন্দাদের।





