মালদা, ৫ মেঃ রাজ্যে রাজনৈতিক পালাবদলের আবহে মালদায় নতুন করে উত্তেজনা ছড়াল। ২০২৫ সালের ২ জানুয়ারি দুষ্কৃতীদের গুলিতে খুন হওয়া তৃণমূল নেতা বাবলা সরকারের পার্টি অফিসে ভাঙচুরের অভিযোগ উঠেছে। ঘটনাটি ঘটেছে কানি মোড় এলাকায়, যেখানে তাঁর দলের কার্যালয়ের সামনের অংশ ও তালা ভেঙে দেওয়ার অভিযোগ সামনে এসেছে।
স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, বাবলা সরকারের মৃত্যুর পর এই পার্টি অফিস থেকেই সংগঠনের কাজ সামলাতেন তাঁর স্ত্রী তথা মালদা জেলা তৃণমূল কংগ্রেসের চেয়ারপারসন চৈতালি ঘোষ সরকার। তিনি অভিযোগ করেন, “আমি যদি ওই সময় পার্টি অফিসে থাকতাম, তাহলে আমাকেও মারধর করা হতে পারত।” পাশাপাশি তিনি বলেন, “যে দলই ক্ষমতায় আসুক, আইনের শাসন বজায় রাখা জরুরি। পুলিশ যেন নিরপেক্ষভাবে কাজ করে, সেটাই আমাদের দাবি।”
ঘটনার পর এলাকায় চাঞ্চল্য ছড়িয়ে পড়ে এবং রাজনৈতিক তরজাও শুরু হয়েছে। তৃণমূলের পক্ষ থেকে এই ঘটনায় বিজেপির দিকে অভিযোগের আঙুল তোলা হলেও তা সম্পূর্ণ অস্বীকার করেছে গেরুয়া শিবির।
এই প্রসঙ্গে ইংলিশ বাজার কেন্দ্রের জয়ী বিজেপি প্রার্থী অম্লান ভাদুড়ী বলেন, “বাবলা সরকারের পরিবারের সঙ্গে তৃণমূলের অভ্যন্তরীণ বিবাদ বহুদিনের। এই ঘটনার সঙ্গে বিজেপির কোনও সম্পর্ক নেই। আমরা প্রতিশোধের রাজনীতি করি না।” তিনি আরও দাবি করেন, বিজেপির জয়ের সুযোগে তৃণমূলেরই কোনও গোষ্ঠী এই ভাঙচুর চালিয়ে থাকতে পারে।
ঘটনার খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে। প্রশাসনের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, অভিযোগের ভিত্তিতে তদন্ত শুরু হয়েছে এবং কারা এর সঙ্গে যুক্ত, তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে।
এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে এলাকায় উত্তেজনা থাকলেও পরিস্থিতি আপাতত নিয়ন্ত্রণে রয়েছে বলে পুলিশ সূত্রে খবর।





