মগরাহাট, ২ মেঃ রাজ্যের ১৫টি বুথে শনিবার পুনর্নির্বাচন অনুষ্ঠিত হচ্ছে, যার মধ্যে মগরাহাট পশ্চিম-এর ১১টি এবং ডায়মন্ড হারবার-এর ৪টি বুথ রয়েছে। সকাল থেকেই মগরাহাটের বিভিন্ন বুথে ভোটারদের দীর্ঘ লাইন চোখে পড়ে।
বিশেষ করে নাজরা এফপি স্কুল-এ ১২৬ ও ১২৭ নম্বর বুথে ভিড় ছিল নজরকাড়া। ১২৬ নম্বর বুথে মোট ভোটার ১০৪৯ জন, যার মধ্যে পুরুষ ৫৪৪ ও মহিলা ৪৯৮। ১২৭ নম্বর বুথেও প্রায় সমসংখ্যক ভোটার রয়েছে। পুনর্নির্বাচনের দিন সকাল থেকেই এই দুই বুথে ভোটদানের জন্য লাইনে দাঁড়াতে দেখা যায় বহু মানুষকে।
এই ভিড়ের মধ্যেই শারীরিক অসুস্থতা সত্ত্বেও ভাইঝির কাঁধে চড়ে ভোট দিতে আসেন আয়েশা খাতুন। তিনি ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন, “প্রথম দিন শান্তিপূর্ণভাবেই ভোট দিয়েছি, কোনও গন্ডগোল হয়নি। তবু কেন আবার ভোট দিতে হচ্ছে বুঝতে পারছি না। এটা হয়রানি ছাড়া কিছু নয়।”
একই সুর শোনা গেছে অন্যান্য ভোটারদের মুখেও। আকলিমা খাতুন, অমরনাথ মণ্ডল, পীর আলি লস্কর ও নুরজাহান বিবিরাও অভিযোগ করেন, কোনও অশান্তি ছাড়াই প্রথম দফায় ভোট দিয়েছিলেন তাঁরা, তবুও পুনর্নির্বাচনে আসতে হচ্ছে।
প্রশাসন সূত্রে জানা গিয়েছে, ২৯ এপ্রিল দ্বিতীয় দফার ভোটে ১২৭ নম্বর বুথের ইভিএমে ‘টেপ মারা’ সংক্রান্ত অভিযোগ ওঠে। পাশাপাশি থাকা ১২৬ নম্বর বুথেও তার প্রভাব পড়তে পারে বলে আশঙ্কা করা হয়, তাই দু’টি বুথেই পুনর্নির্বাচনের সিদ্ধান্ত নেয় নির্বাচন কমিশন।
তবে এই সিদ্ধান্ত নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন তৃণমূল প্রার্থী শামীম আহমেদ। তাঁর দাবি, ওই অভিযোগের কোনও স্পষ্ট প্রমাণ নেই এবং পর্যবেক্ষক প্রথম দিনের ভোটকে স্বাভাবিক বলেই রিপোর্ট দিয়েছিলেন। ফলে পুনর্নির্বাচন নিয়ে বিতর্ক আরও বাড়ছে।





