ঘোকসাডাঙ্গা, ১২ মার্চঃ মাথাভাঙ্গা ২ ব্লকের লতাপাতা গ্রাম পঞ্চায়েতের পুঁটিমারী গ্রাম এলাকায় সাত সকালে দাপাদাপি ৬ টি হাতির, ঘুম থেকে উঠে হাতি দেখে আতঙ্কিত হয়ে পরে অনেকে শুরু হয় চিৎকার চেঁচামেচি। খবর পেয়ে ছুটে আসে ঘোকসাডাঙ্গা থানার পুলিশ এবং বন দপ্তর। আপাতত পূর্ব পুটি মারি গ্রামের সানজাই নদীর তীরে খোকন বর্মণের কলা বাগানে ৬ হাতি অবস্থান করছে বলে জানা যায়।
জানা গিয়েছে, লতাপাতা গ্রাম পঞ্চায়েতের পুঁটিমারী গ্রামে ভোর ৫ টায় প্রথম ৬ টি হাতি দেখতে পান স্থানীয় বাবলু বর্মন নামের এক যুবক। এরপর সে চিৎকার শুরু করলে জড়ো হয় স্থানীয়রা এরপর হাতির দল স্থানীয়দের চিৎকারে সানজাই নদী তীরে একটি কলা বাগানে অবস্থান করে। খবর পেয়ে ছুটে আসে ঘোকসাডাঙ্গা থানার পুলিশ, বন দপ্তরের মাথাভাঙ্গা রেঞ্জ, পাতলা খাওয়া রেঞ্জ, জলদাপাড়া রেঞ্জ এর কর্মীরা। আপাতত বন দপ্তরের নজর দারিতে রয়েছে হাতি গুলি।
এ বিষয়ে স্থানীয় রফিকুল ইসলাম বলেন আমি সকাল ৫ টা নাগাদ গরু বের করছিলাম দেখলাম আমার বাড়ির পাশ দিয়ে ৬ টি হাতি বেরিয়ে যাচ্ছে। এরপর এলাকায় চিৎকার শুরু হয়। প্রায় পনেরো দিন ধরে এই হাতি গুলি এলাকায় আসছে এবং ভুট্টা, কলা খেত নষ্ট করছে । এতদিন তোর্ষা নদীর চর এলাকায় ঘোড়া ফেরা করে আবার পাতলা খাওয়া জঙ্গলে ফিরে যেতো আজ প্রথম আমাদের এলাকায় প্রবেশ করেছে। সবাই আতঙ্কে আছি আমরা চাই হাতি গুলিকে বন দপ্তর চিলাপাতা জঙ্গলে নিয়ে যাক। অন্য দিকে স্থানীয় স্বপন সাহা জানান,কয়েক দিন ধরে আমাদের এলাকায় হাতির দাপাদাপি চলছে তেমন ক্ষয় ক্ষতি না হলেও প্রচুর ফসল নষ্ট হয়েছে। তবে পাশেই প্রায় দের কিমি দূরে তোরসা নদী পার হলেই পাতলা খাওয়া জঙ্গল স্থানীয়দের অনুমান পাতলা খাওয়া জঙ্গল থেকে হাতি গুলি এসেছে। হাতি দের জঙ্গলে ফেরানোর চেষ্টায় বন দপ্তর।





