কোচবিহার, ২ মার্চঃ এসআইআর প্রক্রিয়ার পর প্রকাশিত তালিকায় সাবেক ছিটমহলবাসীদের অধিকাংশের নাম ‘বিচারাধীন’ হিসেবে দেখানো হয়েছে এই অভিযোগে উদ্বেগ ছড়িয়েছে জেলায়। বিধানসভা ভোটের আগে নিজেদের গণতান্ত্রিক অধিকার প্রয়োগ করা যাবে কি না, তা নিয়ে অনিশ্চয়তায় ভুগছেন প্রাক্তন ছিটমহলের বাসিন্দারা। তাঁদের পাশে দাঁড়িয়ে নির্বাচন কমিশনের প্রতিনিধির সঙ্গে কোচবিহারের জেলা শাসকের দপ্তরে বৈঠক করলেন উত্তরবঙ্গ উন্নয়নমন্ত্রী উদয়ন গুহ, কোচবিহার লোকসভার সাংসদ জগদীশ চন্দ্র বর্মা বসুনিয়া, রোগী কল্যাণ সমিতির জনপ্রতিনিধি অভিজিৎ দে ভৌমিক এবং জেলা পরিষদের সহকারী সভাধিপতি আব্দুল জলিল আহমেদ।
তৃণমূল নেতৃত্বের অভিযোগ, এসআইআর তালিকা প্রকাশের পর সাবেক ছিটমহল এলাকার বহু ভোটারের নাম ‘আন্ডার অ্যাডজুডিকেশন’ হিসেবে ঝুলে রয়েছে। ফলে ২০২৬ সালের বিধানসভা নির্বাচনে তাঁরা ভোট দিতে পারবেন কি না, তা নিয়ে সংশয় তৈরি হয়েছে। প্রতিনিধিদল প্রশাসনের কাছে দাবি জানায়, দ্রুত এই বিষয়টির নিষ্পত্তি করে প্রত্যেক প্রকৃত ভোটারের ভোটাধিকার নিশ্চিত করতে হবে।
মন্ত্রী উদয়ন গুহ বলেন, দীর্ঘ লড়াইয়ের পর সাবেক ছিটমহলবাসীরা নাগরিকত্ব ও ভোটাধিকার পেয়েছেন। এখন যদি তাঁদের নাম নিয়ে অনিশ্চয়তা তৈরি হয়, তা অত্যন্ত দুর্ভাগ্যজনক। সাংসদ জগদীশ চন্দ্র বর্মা বসুনিয়াও জানান, একজন প্রকৃত ভোটারের নামও যেন বাদ না পড়ে, সে বিষয়ে তাঁরা সতর্ক রয়েছেন।
তৃণমূলের স্পষ্ট বার্তা, ১০ মার্চের মধ্যে যদি নির্বাচন কমিশন উপযুক্ত পদক্ষেপ না নেয় এবং সাবেক ছিটমহলবাসীসহ সকল প্রকৃত ভোটারের ভোট নিশ্চিত না করা হয়, তবে তারা গণআন্দোলনের পথে হাঁটবে। ইতিমধ্যেই দুশ্চিন্তায় থাকা বহু বাসিন্দা প্রশাসনের দ্রুত হস্তক্ষেপের দাবি তুলেছেন। এখন নজর নির্বাচন কমিশনের পরবর্তী পদক্ষেপের দিকে।





