খবরিয়া ২৪ ডেস্ক, ২৪ ফেব্রুয়ারি: বিয়ের প্রতিশ্রুতি দিয়ে দীর্ঘদিন সহবাসের পর কুণ্ডলী বা কুষ্ঠি না মেলার অজুহাতে বিয়ে করতে অস্বীকার করা শাস্তিযোগ্য অপরাধ এমনই গুরুত্বপূর্ণ পর্যবেক্ষণ করল দিল্লি হাইকোর্ট। এই মন্তব্যের পর অভিযুক্ত যুবকের জামিনের আবেদন খারিজ করে দেয় আদালত।
১৭ ফেব্রুয়ারি বিবাহের প্রতিশ্রুতি দিয়ে ধর্ষণের এক মামলার শুনানি হয় দিল্লি হাই কোর্টে। অভিযুক্ত যুবক জামিন চেয়ে আদালতের দ্বারস্থ হন। মামলার শুনানির সময় বিচারপতি স্বর্ণকান্ত শর্মা পর্যবেক্ষণে জানান, আগে বিয়ের আশ্বাস দিয়ে পরে কুণ্ডলী না মেলার কারণ দেখিয়ে বিয়ে করতে অস্বীকার করা ভারতীয় ন্যায় সংহিতার ৬৯ ধারায় অপরাধ হিসেবে গণ্য হতে পারে। আদালতের মতে, যদি শুরু থেকেই প্রতিশ্রুতির পেছনে প্রতারণার উদ্দেশ্য থাকে, তবে তা গুরুতর অপরাধের পর্যায়ে পড়ে।
মামলার অভিযোগ অনুযায়ী, এক তরুণী প্রায় আট বছর ধরে অভিযুক্তের সঙ্গে লিভ-ইন সম্পর্কে ছিলেন। তাঁর দাবি, বিয়ের প্রতিশ্রুতি দিয়েই অভিযুক্ত সহবাস করেন। পরে কুষ্ঠি না মেলার কথা বলে বিয়ে করতে অস্বীকার করেন। প্রথমে থানায় অভিযোগ দায়ের হলেও পরে অভিযুক্ত পুনরায় বিয়ের আশ্বাস দিলে তরুণী অভিযোগ প্রত্যাহার করেন। কিন্তু পরবর্তীতে বিয়ে না করায় তিনি আবার থানায় অভিযোগ দায়ের করেন। সেখান থেকেই মামলা গড়ায় হাই কোর্টে।
আদালত স্পষ্ট জানায়, শুধুমাত্র সামাজিক বা জ্যোতিষগত অজুহাত দেখিয়ে দায় এড়ানো যায় না, বিশেষত যখন দীর্ঘদিনের সম্পর্কে বিয়ের প্রতিশ্রুতি দিয়ে সহবাস করা হয়েছে। এই পর্যবেক্ষণ ভবিষ্যতে এ ধরনের মামলায় গুরুত্বপূর্ণ দৃষ্টান্ত হয়ে থাকতে পারে বলে মনে করছেন আইনজীবীরা।





