খবরিয়া ২৪ ডেস্ক, ২১ ফেব্রুয়ারিঃ সরকারি প্রকল্পের সুবিধা যাতে রাজ্যের কোনও নাগরিক বঞ্চিত না হন, সেই নির্দেশ আগেই দিয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা ব্যানার্জি । সেই প্রেক্ষাপটে চালু হয়েছে ‘যুব সাথী’ প্রকল্প, যেখানে ২১ থেকে ৪০ বছর বয়সি বেকার যুবক-যুবতীদের মাসিক ভাতা দেওয়ার ঘোষণা করেছে রাজ্য সরকার। বর্তমানে এই প্রকল্পে আবেদন প্রক্রিয়া চলছে। আর সেই আবেদনের ফর্ম জমা দিতে গিয়ে রাজনৈতিক চর্চার কেন্দ্রে উঠে এলেন হুগলির এক বিজেপি নেত্রী।
আরামবাগের বিজেপি মহিলা মোর্চার কনভেনার সুদেষ্ণা অধিকারী মহান্ত গোঘাট ২ নম্বর ব্লক অফিসে গিয়ে ‘যুব সাথী’ প্রকল্পের ফর্ম পূরণ করেন। ৩৭ বছরের এই নেত্রী একটি বেসরকারি সংস্থায় কর্মরত। তাঁর স্বামী বেকার বলে জানা গিয়েছে। সংসারের আর্থিক চাপের কথা উল্লেখ করে তিনি জানান, প্রকল্পের ১৫০০ টাকা মাসিক ভাতা সহায়ক হতে পারে। যদিও প্রথমে তিনি দাবি করেন, ছেলের জন্য আবেদন করেছেন, কিন্তু জমা দেওয়া ফর্মে গ্রাহক হিসেবে তাঁর নিজের নামই দেখা যায়।
এই পদক্ষেপ রাজনৈতিক মহলে বিতর্কের জন্ম দিয়েছে। ভোটের আগে বিরোধী দলের এক দায়িত্বপ্রাপ্ত নেত্রীর রাজ্য সরকারের প্রকল্পে আবেদন স্বাভাবিকভাবেই আলোচনার বিষয় হয়ে উঠেছে। তবে সুদেষ্ণার দাবি, এটি একটি রাজ্য সরকারি প্রকল্প এবং সকলেরই এতে আবেদন করার অধিকার রয়েছে। তাঁর কথায়, মুখ্যমন্ত্রীর এই উদ্যোগ বেকার যুবকদের জন্য ইতিবাচক পদক্ষেপ।
এদিকে স্থানীয় তৃণমূল নেতৃত্বের দাবি, দলমত নির্বিশেষে সকলেই সরকারি প্রকল্পের সুবিধা পাচ্ছেন, এটাই রাজ্য সরকারের সাফল্য। যদিও বিজেপির স্থানীয় নেতৃত্ব এ বিষয়ে প্রকাশ্যে কোনও মন্তব্য করেনি। ঘটনাকে ঘিরে রাজনৈতিক মহলে জল্পনা তুঙ্গে।





