খবরিয়া ২৪ ডেস্ক, ২৫ জানুয়ারিঃ রাজ্যে শুরু হওয়া এসআইআর প্রক্রিয়ায় এবার শুনানির নোটিস পেলেন রাজ্যের মন্ত্রী শশী পাঁজা এবং শাসক দলের যুবনেতা দেবাংশু ভট্টাচার্য। দেবাংশু নিজেই সোশ্যাল মিডিয়ায় পোস্ট করে বিষয়টি প্রকাশ্যে আনেন। নোটিস অনুযায়ী, রবিবার দুপুর ২টোর মধ্যে উত্তর কলকাতার কেশব অ্যাকাডেমিতে হাজিরা দেওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে শশী পাঁজাকে।
নোটিস পাওয়ার পর শশী পাঁজা জানান, তাঁর নাম ২০০২ সালের ভোটার তালিকায় ছিল এবং এনুমারেশন ফর্মে সমস্ত প্রয়োজনীয় তথ্য তিনি সঠিকভাবেই জমা দিয়েছেন। তা সত্ত্বেও শুনানিতে ডাক পাওয়ায় তিনি বিরক্ত। শশী পাঁজার দাবি, এটি কোনও লজিক্যাল ডিসক্রিপেন্সি নয়, বরং অ্যাপের গলদের কারণেই ২০০২ সালের তালিকায় তাঁর নাম দেখাচ্ছে না। তাঁর কথায়, “আমার যখন ডাক পড়ছে, তখন সাধারণ মানুষের অবস্থা কী, তা সহজেই বোঝা যায়। পুরো বিষয়টাই হাস্যকর।” তবে তিনি স্পষ্ট করে জানান, অন্য পাঁচজন সাধারণ নাগরিকের মতোই তিনি শুনানিতে হাজিরা দেবেন।
প্রসঙ্গত, গত অক্টোবর থেকেই রাজ্যে শুরু হয়েছে এসআইআর প্রক্রিয়া। ভোটার তালিকা ত্রুটিমুক্ত করাই এই প্রক্রিয়ার মূল উদ্দেশ্য। এনুমারেশন ফর্ম জমা নেওয়ার পর বর্তমানে চলছে শুনানি পর্ব। লজিক্যাল ডিসক্রিপেন্সি, ম্যাপিং সমস্যাসহ বিভিন্ন কারণে বহু ভোটারকে ডাকা হচ্ছে শুনানিতে। ইতিমধ্যেই নোবেলজয়ী অর্থনীতিবিদ অমর্ত্য সেন, কবি জয় গোস্বামী, অভিনেতা সাংসদ দেবের মতো বিশিষ্ট ব্যক্তিরাও এসআইআর নোটিস পেয়েছেন।
এই প্রক্রিয়া নিয়ে আগেই উদ্বেগ প্রকাশ করেছিলেন অমর্ত্য সেন। তিনি ‘অযথা তাড়াহুড়ো’র অভিযোগ তুলে বলেন, পর্যাপ্ত সময় না দিলে তা গণতন্ত্রের পক্ষেই ক্ষতিকর। এসআইআর নিয়ে শুরু থেকেই তৃণমূল কংগ্রেস ও মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের আপত্তির মাঝেই এবার শাসক দলের মন্ত্রী ও যুবনেতার নাম উঠে এল শুনানির তালিকায়।





