সিতাই, ১৫ সেপ্টেম্বরঃ চার মাস পর বাড়ি ফিরেছেন সিতাইয়ের সাংসদ জগদীশচন্দ্র বর্মা বসুনিয়া। তাও ফিরেছেন পুলিশি নিরাপত্তায়। কিন্তু বাড়িতে পা রাখার পর দু’দিন কাটতে না কাটতেই তাঁর বাড়ির সামনে পরপর বিক্ষোভ ঘিরে নতুন করে চাঞ্চল্য ছড়াল সিতাইয়ে। রবিবারের পর সোমবার সন্ধ্যাতেও সাংসদের বাড়ির সামনে জড়ো হয়ে বিক্ষোভ দেখান স্থানীয় বাসিন্দাদের একাংশ। পরিস্থিতি সামাল দিতে এ দিন বাড়ির সামনে মোতায়েন ছিল কেন্দ্রীয় বাহিনী ও সিতাই থানার পুলিশ।
রবিবার ভোর প্রায় ৫টা নাগাদ কড়া পুলিশি নিরাপত্তার মধ্যে বাড়ি ফেরেন জগদীশচন্দ্র। দীর্ঘ সময় পর সাংসদের এলাকায় ফেরাকে ঘিরে রাজনৈতিক মহলে যেমন আলোচনা শুরু হয়েছিল, তেমনই তাঁর বাড়ির সামনে বিক্ষোভ সেই আলোচনাকে আরও উসকে দিয়েছে।
স্থানীয় সূত্রে খবর, রবিবার দুপুরে সাংসদের বাড়ির সামনে স্থানীয় বাসিন্দাদের একাংশের পাশাপাশি বিজেপি কর্মীরাও বিক্ষোভ দেখান। তার পর সোমবার সন্ধ্যা ৬টা নাগাদ ফের একই জায়গায় বিক্ষোভ হয়। যদিও সোমবারের প্রতিবাদের নির্দিষ্ট কারণ নিয়ে স্থানীয় স্তরে একাধিক দাবি ও জল্পনা রয়েছে।
পরপর দু’দিন সাংসদের বাড়ির সামনে বিক্ষোভের ঘটনায় স্বাভাবিক ভাবেই প্রশ্ন উঠছে হঠাৎ কেন এত ক্ষোভ? এর পিছনে কি শুধুই স্থানীয় কোনও ইস্যু, নাকি এর সঙ্গে রয়েছে রাজনৈতিক কোনও সমীকরণ? বিশেষ করে চার মাস পর সাংসদের বাড়ি ফেরার পরই এই পরিস্থিতি তৈরি হওয়ায় জল্পনা আরও বেড়েছে।
অন্য দিকে, পরিস্থিতি যাতে হাতের বাইরে না যায়, সে জন্য সোমবার সাংসদের বাড়ির সামনে নিরাপত্তা জোরদার করা হয়। কেন্দ্রীয় বাহিনীর পাশাপাশি মোতায়েন করা হয় সিতাই থানার পুলিশও। বিক্ষোভকে কেন্দ্র করে এলাকায় যাতে কোনও অপ্রীতিকর পরিস্থিতি না তৈরি হয়, সে দিকেও নজর রাখে প্রশাসন।
চার মাসের অনুপস্থিতির পর সাংসদের প্রত্যাবর্তন ঘিরে যে রাজনৈতিক উত্তাপ তৈরি হয়েছে, পরপর বিক্ষোভের ঘটনায় তা আরও স্পষ্ট হয়েছে। তবে বিক্ষোভের প্রকৃত কারণ এবং তার পিছনে কোনও সংগঠিত রাজনৈতিক ভূমিকা রয়েছে কি না, তা এখনও স্পষ্ট নয়। ফলে সিতাইয়ে এখন নজর সাংসদের বাড়ির সামনে তৈরি হওয়া এই নতুন রাজনৈতিক সমীকরণের দিকে।





