কোচবিহার, ১৪ সেপ্টেম্বর: একের পর এক কর্মসূচিতে হামলার অভিযোগ এবিভিপির বিরুদ্ধে। তার প্রতিবাদে এবার সরাসরি পুলিশ সুপারের দফতরের দরজায় এসএফআই। সংগঠনের কর্মসূচিতে হামলার ঘটনায় অভিযুক্তদের গ্রেফতার এবং আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়ার দাবিতে সোমবার কোচবিহারে জেলা পুলিশ সুপারের দফতর ঘেরাও করে বিক্ষোভ দেখাল এসএফআই-এর কর্মী-সমর্থকেরা। বিক্ষোভকে ঘিরে দফতর চত্বরে তৈরি হয় উত্তেজনার আবহ।
এসএফআই-এর অভিযোগ, রবিবার পুন্ডিবাড়িতে সংগঠনের একটি কর্মসূচি চলাকালীন এবিভিপির-এর পক্ষ থেকে হামলা চালানো হয়। একই ভাবে মাথাভাঙাতেও তাঁদের কর্মসূচিতে বিজেপির পক্ষ থেকে হামলা করা হয়েছে বলে দাবি বাম ছাত্র সংগঠনটির। দু’টি ঘটনার প্রতিবাদেই এ দিনের কর্মসূচি বলে জানিয়েছেন এসএফআই নেতৃত্ব।
সংগঠনের বক্তব্য, রাজনৈতিক মতপার্থক্য থাকতেই পারে। কিন্তু কোনও রাজনৈতিক বা ছাত্র সংগঠনকে কর্মসূচি পালনে বাধা দেওয়া বা সেখানে হামলা চালানো গণতান্ত্রিক পরিবেশের পক্ষে উদ্বেগের। তাই অভিযুক্তদের চিহ্নিত করে দ্রুত গ্রেফতার এবং ঘটনার নিরপেক্ষ তদন্তের দাবি জানিয়েছে তারা।
সোমবার নির্দিষ্ট কর্মসূচি নিয়ে এসএফআই-এর কর্মী-সমর্থকেরা জেলা পুলিশ সুপারের দফতরের সামনে জড়ো হন। পরে দফতর ঘেরাও করে বিক্ষোভ শুরু হয়। তাঁদের হাতে ছিল বিভিন্ন দাবি-সংবলিত পোস্টার ও প্ল্যাকার্ড। বিক্ষোভকারীদের দাবি, রাজনৈতিক কর্মসূচিতে হামলার অভিযোগগুলিকে গুরুত্ব দিয়ে দেখে দ্রুত পদক্ষেপ করতে হবে।
এসএফআই-এর আরও দাবি, রাজ্যে গণতান্ত্রিক ভাবে কর্মসূচি পালনের অধিকার নিশ্চিত করতে হবে। কোনও সংগঠনের কর্মসূচিতে হামলা বা বাধা দেওয়ার অভিযোগ উঠলে দলীয় পরিচয়ের ঊর্ধ্বে উঠে পুলিশকে আইন অনুযায়ী ব্যবস্থা নিতে হবে।
পুন্ডিবাড়ি ও মাথাভাঙার ঘটনাকে ঘিরে অবশ্য রাজনৈতিক চাপানউতোরও শুরু হয়েছে।এসএফআই যেখানে হামলার অভিযোগ তুলেছে, সেখানে অভিযুক্ত পক্ষগুলির বক্তব্য এই মুহূর্তে জানা যায়নি। ফলে অভিযোগের সত্যতা এবং ঘটনার পূর্ণাঙ্গ বিবরণ খতিয়ে দেখার বিষয়টিও গুরুত্বপূর্ণ। এদিনের বিক্ষোভ ঘিরে পুলিশের দফতরের সামনে তৈরি হওয়া উত্তেজনার আবহে এখন নজর, অভিযোগের ভিত্তিতে পুলিশ কী পদক্ষেপ করে।





