দার্জিলিং, ১ সেপ্টেম্বরঃ সকাল তখন সবে ৭টা। পানাগড়ের দার্জিলিং মোড়ে আচমকাই দেখা গেল ঘন কালো ধোঁয়া। কিছুক্ষণের মধ্যেই তিনতলা একটি বাণিজ্যিক ভবনের একতলায় থাকা স্কুটির শোরুম থেকে আগুনের শিখা ছড়িয়ে পড়ে। ধোঁয়ায় ঢেকে যায় আশপাশের বিস্তীর্ণ এলাকা। রাস্তা দিয়ে যাতায়াত করা মানুষজনও পরিস্থিতি দেখে থমকে দাঁড়ান। খবর পেয়ে দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছয় দমকল। দুটি ইঞ্জিনের চেষ্টায় আগুন নিয়ন্ত্রণে আসে।
মঙ্গলবার সকালে পানাগড়ের দার্জিলিং মোড়ের ওই ভবনে আগুন লাগার ঘটনায় এলাকায় চাঞ্চল্য ছড়ায়। ভবনটির একতলায় ছিল স্কুটির একটি শোরুম। দোতলায় একটি ছোটদের স্কুল এবং তিনতলায় একটি পরিবারের বসবাস ছিল বলে জানা গিয়েছে। আগুন লাগার সময় স্কুলে পড়ুয়া বা কর্মীরা উপস্থিত ছিলেন কি না, তা নিয়ে বিস্তারিত তথ্য এখনও মেলেনি।
প্রত্যক্ষদর্শীদের দাবি, প্রথমে শোরুমের দিক থেকেই ধোঁয়া বেরোতে দেখা যায়। দ্রুত তা ঘন কালো ধোঁয়ার চেহারা নেয়। আগুনের তীব্রতা বাড়তে থাকায় আশপাশের এলাকায় আতঙ্ক তৈরি হয়। দূর থেকেও ধোঁয়ার কুণ্ডলী দেখা যায়।
খবর পেয়ে দমকলের দুটি ইঞ্জিন ঘটনাস্থলে পৌঁছে আগুন নেভানোর কাজ শুরু করে। দ্রুত আগুন নিয়ন্ত্রণে আনা সম্ভব হলেও বেশ কিছু সময় ধরে ধোঁয়ার কারণে পরিস্থিতি অস্বস্তিকর ছিল। পরে ধীরে ধীরে স্বাভাবিক হয় এলাকার পরিস্থিতি।
অগ্নিকাণ্ডে শোরুমে থাকা একাধিক স্কুটি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। প্রাথমিক ভাবে জানা গিয়েছে, শোরুমের ভিতরের সমস্ত স্কুটিই আগুনে পুড়ে যায়। তবে আগুনের উৎস কোথায় এবং কী ভাবে তা ছড়িয়ে পড়ল, তা এখনও স্পষ্ট নয়।
দমকল আধিকারিকেরা জানিয়েছেন, আগুন লাগার সঠিক কারণ তদন্ত করে দেখা হচ্ছে। শোরুমে অগ্নিনির্বাপণ ব্যবস্থা যথাযথ ছিল কি না, আগুন লাগার সময় বৈদ্যুতিক কোনও ত্রুটি হয়েছিল কি না—সহ বিভিন্ন বিষয় খতিয়ে দেখা হতে পারে।
তিনতলা ভবনের একাংশে শোরুম, অন্য অংশে স্কুল ও বসতবাড়ি থাকায় আগুন দ্রুত নিয়ন্ত্রণে আনা গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠেছিল। আপাতত আগুন নিয়ন্ত্রণে। তবে ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ এবং অগ্নিকাণ্ডের প্রকৃত কারণ তদন্ত শেষ না হওয়া পর্যন্ত নিশ্চিত করে বলা যাচ্ছে না।





