কলকাতা, ১ জুলাইঃ চিকিৎসক দিবসে রাজ্যের স্বাস্থ্য পরিষেবায় একাধিক নতুন উদ্যোগের ঘোষণা করল রাজ্য সরকার। মঙ্গলবার ডা. বিধানচন্দ্র রায়ের জন্মজয়ন্তী উপলক্ষে বিধাননগর মহকুমা হাসপাতালের নাম পরিবর্তন করে ‘ডা. বিধানচন্দ্র রায় মাল্টি স্পেশালিটি হাসপাতাল’ রাখার কথা ঘোষণা করেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। একই অনুষ্ঠানে উদ্বোধন করা হয় মা ও শিশুর স্বাস্থ্য পরিষেবার জন্য ‘জননী’ পোর্টাল, স্বাস্থ্য ভবনের কেন্দ্রীয় কন্ট্রোল রুম এবং ২০০টি সরকারি অ্যাম্বুল্যান্সের।
বিধাননগরে ডা. বিধানচন্দ্র রায়ের মূর্তিতে মাল্যদান করে অনুষ্ঠানের সূচনা করেন মুখ্যমন্ত্রী। উপস্থিত ছিলেন পুরমন্ত্রী অগ্নিমিত্রা পাল-সহ স্বাস্থ্য দপ্তরের শীর্ষ আধিকারিকেরা। এ দিন মুখ্যমন্ত্রীর হাত ধরেই রাজ্যে আনুষ্ঠানিক ভাবে শুরু হয় ‘প্রধানমন্ত্রী মাতৃ বন্দনা যোজনা’-র কার্যক্রম।
সরকারের দাবি, ‘জননী’ পোর্টালের মাধ্যমে গর্ভবতী মহিলা, প্রসূতি মা এবং নবজাতকদের জন্য সময়মতো স্বাস্থ্য পরিষেবা নিশ্চিত করা সহজ হবে। স্বাস্থ্য দপ্তরের বিভিন্ন পরিষেবাকে আরও সমন্বিত ও প্রযুক্তিনির্ভর করার লক্ষ্যেই এই উদ্যোগ। একই সঙ্গে স্বাস্থ্য ভবনে চালু হওয়া কন্ট্রোল রুম থেকে রাজ্যের সমস্ত সরকারি হাসপাতালের পরিষেবা, পরিকাঠামো ও জরুরি পরিস্থিতির উপর সরাসরি নজর রাখা হবে।
অনুষ্ঠানে নদিয়ায় ড্রাগ কন্ট্রোল অফিস এবং বাঁকুড়া সম্মিলনী মেডিক্যাল কলেজ ও হাসপাতালে ব্র্যাকিথেরাপি পরিষেবারও উদ্বোধন করা হয়। পাশাপাশি কেন্দ্রীয় যক্ষ্মা নির্মূল কর্মসূচির ‘নি-ক্ষয়মিত্র’ শংসাপত্র তুলে দেওয়া হয় বিজেপি বিধায়ক তরুণজ্যোতি তিওয়ারি ও পীযূষ কানুরিয়ার হাতে।
স্বাস্থ্য দপ্তর সূত্রে খবর, কেন্দ্রের ‘স্বাস্থ্য ভারত’ ডিজিটাল প্ল্যাটফর্মের সঙ্গে ধাপে ধাপে রাজ্যের একাধিক স্বাস্থ্য প্রকল্পকে যুক্ত করা হবে। ‘জননী’, টিকাকরণ, নন-কমিউনিকেবল ডিজিজ, নি-ক্ষয় এবং জাতীয় ডায়ালিসিস কর্মসূচি-সহ বিভিন্ন পরিষেবা এক ছাতার তলায় এনে স্বাস্থ্য পরিষেবাকে আরও কার্যকর ও সহজলভ্য করাই সরকারের লক্ষ্য।





