কালিম্পং, ১৬ জুনঃ মুখ্যমন্ত্রী হওয়ার পর প্রথমবার কালিম্পং সফরে গিয়ে পাহাড়ের উন্নয়নকে অগ্রাধিকার দেওয়ার বার্তা দিলেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। মঙ্গলবার জনকল্যাণ শিবিরে অংশ নিয়ে তিনি একাধিক উন্নয়নমূলক প্রকল্পের ঘোষণা করেন এবং পাহাড়বাসীকে আশ্বস্ত করেন যে কেন্দ্র ও রাজ্য সরকারের যৌথ উদ্যোগে আগামী দিনে এলাকার সামগ্রিক উন্নয়ন নিশ্চিত করা হবে।
এদিনের কর্মসূচিতে বক্তব্য রাখতে গিয়ে মুখ্যমন্ত্রী জানান, আগামী ১ জুলাই থেকে ‘জি রামজি’ প্রকল্পের কাজ শুরু হবে। পাশাপাশি কালিম্পংয়ে একটি মেডিক্যাল কলেজ স্থাপনের পরিকল্পনার কথাও ঘোষণা করেন তিনি। এছাড়াও পুলিশ বিভাগে দ্রুত নিয়োগ প্রক্রিয়া সম্পন্ন করার আশ্বাস দেন মুখ্যমন্ত্রী। তাঁর বক্তব্য, প্রশাসনিক পরিকাঠামো শক্তিশালী করার পাশাপাশি স্বাস্থ্য ও কর্মসংস্থানের ক্ষেত্রেও বিশেষ গুরুত্ব দেওয়া হবে।
শুভেন্দু অধিকারী বলেন, “পাহাড়ের উন্নয়নে আমরা প্রতিশ্রুতিবদ্ধ। উন্নয়নের জন্য একটি সুস্পষ্ট রোডম্যাপ তৈরি করা হয়েছে। সব কাজ ধাপে ধাপে বাস্তবায়িত হবে। আমি এখানে ঘুরতে আসিনি, কাজ করতে এসেছি।”
মুখ্যমন্ত্রীর দাবি, দীর্ঘদিন ধরে পাহাড়ের বিভিন্ন এলাকায় উন্নয়নের গতি প্রত্যাশিত ছিল না। সেই পরিস্থিতি বদলাতে কেন্দ্র ও রাজ্য সরকার সমন্বয় রেখে কাজ করবে। জনকল্যাণ শিবিরের মাধ্যমে সাধারণ মানুষের কাছে সরকারি পরিষেবা পৌঁছে দেওয়ার পাশাপাশি এলাকার পরিকাঠামো উন্নয়ন, স্বাস্থ্য পরিষেবা সম্প্রসারণ এবং কর্মসংস্থানের সুযোগ বৃদ্ধির উপর জোর দেওয়া হবে বলেও জানান তিনি।
সভায় উপস্থিত স্থানীয় বাসিন্দাদের উদ্দেশে মুখ্যমন্ত্রী বলেন, “আপনারা নিশ্চিন্ত থাকুন। পাহাড়ের উন্নয়নের জন্য যে পরিকল্পনা নেওয়া হয়েছে, তা বাস্তবায়নের কাজ শুরু হয়ে গিয়েছে। ধীরে ধীরে সমস্ত প্রতিশ্রুতি পূরণ করা হবে।”
মুখ্যমন্ত্রীর এই সফরকে রাজনৈতিক এবং প্রশাসনিক দিক থেকে গুরুত্বপূর্ণ বলে মনে করছে পর্যবেক্ষক মহল। পাহাড়ে উন্নয়নের নতুন বার্তা এবং একাধিক ঘোষণাকে ঘিরে ইতিমধ্যেই স্থানীয় মহলে ব্যাপক আলোচনা শুরু হয়েছে।





