দক্ষিণ ২৪ পরগনা, ১৬ মেঃ মুখ্যমন্ত্রী হিসেবে প্রথম জেলা সফরে শনিবার ডায়মন্ড হারবারে পৌঁছলেন শুভেন্দু অধিকারী। তৃণমূলের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক অভিষেক ব্যানার্জী-র লোকসভা কেন্দ্র থেকেই প্রশাসনিক সফর শুরু করলেন তিনি। ডায়মন্ড হারবারের সরকারি টুরিস্ট লজ ‘সাগরিকা’-য় জেলা প্রশাসনের শীর্ষ আধিকারিকদের সঙ্গে বৈঠকে বসেন মুখ্যমন্ত্রী।
বৈঠকে উপস্থিত ছিলেন দক্ষিণ ২৪ পরগনার জেলাশাসক, ডায়মন্ড হারবার পুলিশ জেলার পুলিশ সুপার এবং জেলার বিভিন্ন থানার আধিকারিকরা। মুখ্যমন্ত্রীর সঙ্গে ছিলেন রাজ্যের মুখ্যসচিব মনোজ কুমার আগরওয়ালও। প্রশাসনিক সূত্রে খবর, জেলার আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি, ভোট পরবর্তী হিংসা, অনুপ্রবেশ সমস্যা এবং প্রশাসনিক স্বচ্ছতা নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা হয়েছে বৈঠকে।
সম্প্রতি দক্ষিণ ২৪ পরগনার বিভিন্ন এলাকায় ভোট পরবর্তী হিংসার অভিযোগ সামনে এসেছে। শুক্রবার বিধানসভায় এই প্রসঙ্গ তুলেছিলেন ডায়মন্ড হারবারের তৃণমূল বিধায়ক পান্নালান হালদার। সেই আবহেই মুখ্যমন্ত্রীর এই সফর বিশেষ তাৎপর্যপূর্ণ বলে মনে করছে রাজনৈতিক মহল
এদিকে, এদিন ডায়মন্ড হারবারের তৃণমূল বিধায়ক পান্নালাল হালদার মুখ্যমন্ত্রীর সঙ্গে দেখা করতে গেলেও শেষ পর্যন্ত তাঁদের সাক্ষাৎ হয়নি বলে জানা গিয়েছে। পরে তিনি সেখান থেকে ফিরে যান।
প্রশাসনিক বৈঠকের পর ফলতা বিধানসভা এলাকায় বিজেপির কর্মীসভায় যোগ দেওয়ার কথা রয়েছে মুখ্যমন্ত্রীর। সেখানে প্রধান বক্তা হিসেবে উপস্থিত থাকবেন তিনি। আগামী ২১ মে ফলতা বিধানসভা কেন্দ্রে নির্বাচনকে ঘিরে রাজনৈতিক তৎপরতা ইতিমধ্যেই তুঙ্গে।
ফলতার সভা শেষে শুভেন্দু অধিকারীর নন্দীগ্রামে যাওয়ারও কথা রয়েছে। এবারের নির্বাচনে নন্দীগ্রাম ও ভবানীপুর দুই কেন্দ্র থেকেই জয়ী হয়েছিলেন তিনি। তবে সাংবিধানিক নিয়ম অনুযায়ী একটি আসন ছাড়তে হয়েছে তাঁকে। নন্দীগ্রামের আসন ছেড়ে দিলেও এলাকার উন্নয়নের প্রতিশ্রুতি পূরণে তিনি নিজেই নজর রাখবেন বলে জানিয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী।
শুভেন্দুর কথায়, “নন্দীগ্রামের মানুষকে বুঝতে দেব না যে আমি ওদের বিধায়ক নই। নির্বাচনের সময় যে প্রতিশ্রুতি দিয়েছিলাম, সেগুলো পূরণ করব।”





