নিজস্ব সংবাদদাতা, কোচবিহার: রাজনীতির মঞ্চে স্লোগান থাকে, থাকে বক্তৃতা। কিন্তু তার বাইরে জনজীবনের সঙ্গে সরাসরি যোগাযোগের বার্তাও যে রাজনৈতিক কর্মসূচির অন্যতম লক্ষ্য হতে পারে, সেই ছবিই ধরা পড়ল কোচবিহারে। প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর জনসেবা ও সেবা-সমর্পণের ২৫ বছর পূর্তি উপলক্ষে রবীন্দ্র ভবনে অনুষ্ঠিত হল ‘সেবা সংকল্প অভিযান’-এর বিশেষ কর্মসূচি।
অনুষ্ঠানকে ঘিরে সকাল থেকেই ছিল উৎসাহের আবহ। দলের নেতৃত্ব, কর্মী-সমর্থকদের পাশাপাশি সমাজের বিভিন্ন স্তরের মানুষও অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন। মঞ্চ থেকে উঠে আসে ‘সেবা’ এবং ‘সমর্পণ’-এর বার্তা। জনকল্যাণমূলক নানা উদ্যোগের মাধ্যমে সাধারণ মানুষের পাশে থাকার অঙ্গীকারও তুলে ধরা হয়।
দীর্ঘ রাজনৈতিক জীবনে জনসম্পর্ক ও মানুষের সঙ্গে যোগাযোগকে সামনে রেখে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর ২৫ বছরের সেবা-সমর্পণের প্রসঙ্গই ছিল এই কর্মসূচির মূল কেন্দ্রবিন্দু। বক্তাদের বক্তব্যে উঠে আসে, মানুষের সমস্যার সময়ে পাশে দাঁড়ানো এবং সামাজিক দায়বদ্ধতাকে আরও শক্তিশালী করার প্রয়োজনীয়তা।
তবে শুধুই আনুষ্ঠানিক সভা নয়, ‘সেবা সংকল্প অভিযান’-এর মধ্য দিয়ে সামাজিক কাজকে রাজনৈতিক কর্মসূচির সঙ্গে যুক্ত করার বার্তাও দেওয়া হয়েছে। মানুষের দৈনন্দিন সমস্যা, জনকল্যাণ এবং সমাজের পিছিয়ে পড়া অংশের পাশে দাঁড়ানোর বিষয়টি গুরুত্ব পেয়েছে অনুষ্ঠানে।
আগামী দিনেও একই ভাবে মানুষের পাশে থেকে জনকল্যাণমূলক কাজ এগিয়ে নিয়ে যাওয়ার অঙ্গীকার করা হয়। কর্মসূচির আয়োজকদের বক্তব্য, ক্ষমতা কিংবা রাজনীতির হিসাবের বাইরে মানুষের জন্য কাজ করাই হওয়া উচিত মূল লক্ষ্য।
রবীন্দ্র ভবনের অনুষ্ঠান শেষ হলেও সেই বার্তাই যেন রেখে গেল ‘সেবা সংকল্প অভিযান’ জনতার সঙ্গে যোগাযোগ শুধু ভোটের সময়ে নয়, সেবার মধ্য দিয়েই তার ধারাবাহিকতা তৈরি করতে হবে।





