আবহাওয়া আইপিএল-2025 টাকা পয়সা পশ্চিমবঙ্গ ভারত ব্যবসা চাকরি রাশিফল স্বাস্থ্য প্রযুক্তি লাইফস্টাইল শেয়ার বাজার মিউচুয়াল ফান্ড আধ্যাত্মিক অন্যান্য

---Advertisement---

প্রাথমিকে ৩২ হাজার চাকরি বাতিল মামলা গ্রহণ সুপ্রিম কোর্টের, আগস্টে ফের গুরুত্বপূর্ণ শুনানি

Published on: May 18, 2026
---Advertisement---

কলকাতা, ১৮ মেঃ প্রাথমিক শিক্ষকদের ৩২ হাজার চাকরি বাতিল সংক্রান্ত বহুচর্চিত মামলায় বড় পদক্ষেপ করল সুপ্রিম কোর্ট। সোমবার বিচারপতি দীপঙ্কর দত্ত এবং বিচারপতি সতীশচন্দ্র শর্মার ডিভিশন বেঞ্চ মামলাটি গ্রহণ করে। তবে আপাতত কোনও শিক্ষকের চাকরি বাতিল করা হচ্ছে না বলেই স্পষ্ট জানিয়ে দিয়েছে শীর্ষ আদালত। একইসঙ্গে আদালতের পর্যবেক্ষণ, “যাঁরা ভবিষ্যৎ প্রজন্মকে শিক্ষা দিচ্ছেন, তাঁরা আদৌ টেট পাশ কিনা, তা জানা প্রয়োজন।” আগামী আগস্ট মাসের তৃতীয় সপ্তাহে মামলার পরবর্তী শুনানি হতে পারে বলে জানা গিয়েছে।

এই মামলার সূত্রপাত ২০১৪ সালের টেট পরীক্ষাকে ঘিরে। সেই পরীক্ষার ভিত্তিতে ২০১৬ সালে প্রাথমিক শিক্ষক নিয়োগ প্রক্রিয়া শুরু হয়েছিল। পরবর্তীতে নিয়োগে অনিয়মের অভিযোগ সামনে আসে। ২০২৩ সালের মে মাসে তৎকালীন বিচারপতি অভিজিৎ গঙ্গোপাধ্যায় ৩২ হাজার প্রাথমিক শিক্ষকের চাকরি বাতিলের নির্দেশ দেন। যদিও একইসঙ্গে তিনি নির্দেশ দিয়েছিলেন, নতুন নিয়োগ প্রক্রিয়া সম্পূর্ণ না হওয়া পর্যন্ত সংশ্লিষ্ট শিক্ষকরা কর্মরত থাকতে পারবেন। পাশাপাশি তিন মাসের মধ্যে নতুন নিয়োগ প্রক্রিয়া শুরুর নির্দেশও দেওয়া হয়েছিল।

সিঙ্গল বেঞ্চের সেই নির্দেশকে চ্যালেঞ্জ জানিয়ে প্রাথমিক শিক্ষা পর্ষদ ডিভিশন বেঞ্চে যায়। তৎকালীন বিচারপতি সুব্রত তালুকদার ও বিচারপতি সুপ্রতীম ভট্টাচার্যের বেঞ্চে মামলার শুনানি হয়। গত বছরের ১২ নভেম্বর শুনানি শেষ হলেও রায়দান স্থগিত ছিল। পরে ২০২৫ সালের ৩ ডিসেম্বর বিচারপতি তপোব্রত চক্রবর্তী ও বিচারপতি ঋতব্রত কুমার মিত্রের ডিভিশন বেঞ্চ গুরুত্বপূর্ণ রায় দেয়। সেখানে সিঙ্গল বেঞ্চের চাকরি বাতিলের নির্দেশ খারিজ করে জানানো হয়, ৩২ হাজার প্রাথমিক শিক্ষক স্বপদে বহাল থাকবেন।

ডিভিশন বেঞ্চ পর্যবেক্ষণে বলেছিল, “দীর্ঘ ৯ বছর পর চাকরি বাতিল করলে পরিবারগুলির উপর বিরূপ প্রভাব পড়বে।” সেই রায়ে স্বস্তি ফিরেছিল হাজার হাজার শিক্ষক-শিক্ষিকার মধ্যে।

তবে এবার মামলাটি সুপ্রিম কোর্টে পৌঁছনোর পর নতুন করে বিতর্ক ও উদ্বেগ তৈরি হয়েছে। যদিও শীর্ষ আদালত আপাতত কোনও চাকরি বাতিল না করার ইঙ্গিত দিয়েছে, তবু টেট যোগ্যতা এবং নিয়োগ প্রক্রিয়ার স্বচ্ছতা নিয়ে ফের প্রশ্ন উঠেছে। ফলে আগামী আগস্টের শুনানির দিকে নজর রয়েছে শিক্ষক মহল থেকে শুরু করে শিক্ষা প্রশাসনেরও।

Dipa Hore

Dipa Hore is working as Sub Editor. Presently she is attached with Khaboriya24 Online News Portal. Dipa Hore is involved in Copy Editing, Uploading in website.

Join WhatsApp

Join Now

Join Telegram

Join Now

Leave a Comment