দিনহাটা, ৩ ফেব্রুয়ারিঃ কোচবিহারের দিনহাটায় তদন্তে এলো কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা নারকোটিক কন্ট্রোল ব্যুরো (এনসিবি)। দিনহাটা ২ নম্বর ব্লকের নাজিরহাট ২ নম্বর গ্রাম পঞ্চায়েতের শালমারা এলাকায় স্থানীয় বাসিন্দা বিনায়ক বর্মনের বাড়িতে দিনভর তল্লাশি চালায় এনসিবির ৬ সদস্যের একটি বিশেষ দল। তবে দীর্ঘ সময় ধরে অভিযান চালালেও বিনায়ক বর্মন বা বাড়ির কোনও পুরুষ সদস্যের দেখা মেলেনি। শেষ পর্যন্ত বাড়ির মহিলাদের হাতে নোটিশ ধরিয়ে দিয়ে খালি হাতেই ফিরে যায় কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা।
এনসিবি সূত্রে জানা গিয়েছে, মুর্শিদাবাদের বহরমপুরে সম্প্রতি প্রায় ৮৫ কেজি গাঁজা সহ পাচারকারীদের একটি দলকে গ্রেফতার করা হয়। সেই ঘটনার তদন্তে নাজিরহাট এলাকার এক ব্যক্তির নাম উঠে আসে। ওই সূত্র ধরেই বিনায়ক বর্মনের বাড়িতে তল্লাশি চালাতে আসে কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা। যদিও অভিযানের সময় বাড়ি থেকে কোনও গাঁজা বা নিষিদ্ধ বস্তু উদ্ধার হয়নি বলে দাবি করেছে পরিবারের সদস্যরা।
অন্যদিকে, দেওয়া নোটিশ ঘিরে উঠেছে বিতর্ক। বিনায়ক বর্মনের স্ত্রী দাবি করেন, নোটিশে তাঁর স্বামীর নাম উল্লেখ থাকলেও সেখানে যে ঠিকানা প্রিন্ট করা ছিল, তা আলিপুরদুয়ারের। অভিযোগ, তাঁদের বাড়িতে দাঁড়িয়েই তদন্তকারী সংস্থার আধিকারিকরা কলম দিয়ে সেই ঠিকানা কেটে নাজিরহাটের বর্তমান ঠিকানা বসিয়ে দেন এবং তারপর সেই নোটিশ তাঁদের হাতে তুলে দেন। বিষয়টি নিয়ে পরিবারে চরম আতঙ্ক ও ক্ষোভ তৈরি হয়েছে বলে দাবি করা হয়েছে।
নোটিশ অনুযায়ী, বিনায়ক বর্মনকে আগামী ৯ ফেব্রুয়ারি নারকোটিক কন্ট্রোল ব্যুরোর অফিসে হাজিরা দিতে বলা হয়েছে। এদিকে, স্থানীয় এলাকায় এনসিবির এই আকস্মিক অভিযানে চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে। তদন্তের অগ্রগতি ও নোটিশ সংক্রান্ত অভিযোগের সত্যতা নিয়ে এখন নজর রয়েছে সংশ্লিষ্ট মহল ও স্থানীয় বাসিন্দাদের।





