কলকাতা, ১ জুনঃ তৃণমূল কংগ্রেসের একাধিক বিধায়কের স্বাক্ষর জাল করার অভিযোগকে কেন্দ্র করে রাজ্যের রাজনৈতিক মহলে নতুন বিতর্কের সৃষ্টি হয়েছে। সোমবার নবান্নে সাংবাদিক বৈঠক করে মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী দাবি করেন, এই ঘটনায় তদন্ত ইতিমধ্যেই শুরু করেছে সিআইডি এবং এর সঙ্গে রাজ্য সরকারের কোনও প্রত্যক্ষ সম্পর্ক নেই।
মুখ্যমন্ত্রী জানান, তৃণমূলের দুই বিধায়ক ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায় ও সন্দীপন সাহা থানায় অভিযোগ দায়ের করার পরই বিষয়টি তদন্তের আওতায় আসে। সেই অভিযোগের ভিত্তিতেই সিআইডি তদন্ত শুরু করেছে বলে তিনি জানান।
শুভেন্দু অধিকারীর দাবি, মোট ১৪ জন তৃণমূল বিধায়কের স্বাক্ষর জাল করা হয়েছে। ইতিমধ্যে তাঁদের মধ্যে তিনজন বিধায়ক স্বীকার করেছেন যে সংশ্লিষ্ট নথিতে থাকা স্বাক্ষর তাঁদের নয়। বিষয়টি অত্যন্ত গুরুতর এবং তদন্তের মাধ্যমে প্রকৃত তথ্য সামনে আসবে বলেও মন্তব্য করেন তিনি।
সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে মুখ্যমন্ত্রী বলেন, “এটি সম্পূর্ণ আইনি প্রক্রিয়ার বিষয়। অভিযোগ পাওয়ার পর তদন্তকারী সংস্থা কাজ শুরু করেছে। সরকার কোনওভাবেই তদন্তে হস্তক্ষেপ করছে না।” একই সঙ্গে তিনি বিরোধী দল তৃণমূল কংগ্রেসকে কটাক্ষ করে বলেন, “নির্বাচনে পরাজয়ের পরও তাদের পুরনো অভ্যাস বদলায়নি।”
তবে এই অভিযোগের বিষয়ে তৃণমূল কংগ্রেসের তরফে এখনও বিস্তারিত প্রতিক্রিয়া সামনে আসেনি। রাজনৈতিক পর্যবেক্ষকদের মতে, যদি অভিযোগ প্রমাণিত হয়, তাহলে তা রাজ্যের রাজনীতিতে বড় প্রভাব ফেলতে পারে।
এখন তদন্তের অগ্রগতির দিকেই নজর রয়েছে রাজনৈতিক মহল ও সাধারণ মানুষের। সিআইডির রিপোর্ট সামনে এলে পুরো ঘটনার প্রকৃত চিত্র স্পষ্ট হবে বলে মনে করা হচ্ছে।





