খবরিয়া ২৪ ডেস্ক, ২২ ফেব্রুয়ারিঃ গত ৬ ফেব্রুয়ারি পাকিস্তানের রাজধানী ইসলামাবাদ-এর একটি মসজিদে ভয়াবহ বিস্ফোরণে অন্তত ৩১ জনের মৃত্যু হয়েছে। আহত হয়েছেন ১৬০ জনেরও বেশি। নিরাপত্তা সূত্রে জানা গিয়েছে, প্রার্থনার সময় বহু মানুষ মসজিদে জড়ো হয়েছিলেন। সেই সময় হামলাকারী মসজিদের ভিতরে ঢোকার চেষ্টা করলে নিরাপত্তারক্ষীরা তাকে গেটে আটকে দেন। কিন্তু তার পরেই বিস্ফোরণ ঘটে। ঘটনাস্থলের ভিডিওতে আগুনে ঝলসে যাওয়া দেহ এবং ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতির ছবি ধরা পড়ে। বিস্ফোরণে মসজিদের একটি ফটক ও আশপাশের কয়েকটি বাড়ি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে।
সূত্রের খবর, এই ঘটনার পর বদলা নেওয়ার পরিকল্পনা করছে পাকিস্তানভিত্তিক জঙ্গি সংগঠন লস্কর-ই-তৈয়বা। গোয়েন্দা রিপোর্টে দাবি, ভারতের বিভিন্ন ধর্মীয় স্থান, বিশেষ করে মন্দিরগুলিকে নিশানা করার ছক কষা হচ্ছে। নিরাপত্তা সংস্থাগুলিকে ইতিমধ্যেই সতর্ক করা হয়েছে।
এদিকে, সম্প্রতি রাষ্ট্রসংঘের সন্ত্রাসবিরোধী পর্যবেক্ষণ দলের এক প্রতিবেদনে দিল্লির লালকেল্লা সংলগ্ন বিস্ফোরণের জন্য দায়ী করা হয়েছে জইশ-ই-মোহাম্মদ-কে। ওই সংগঠনটি গঠন করেছে একটি ‘মহিলা ব্রিগেড’, যা নিয়ে আন্তর্জাতিক মহলেও উদ্বেগ বাড়ছে। গত বছরের নভেম্বর মাসে ইসলামাবাদের আদালত চত্বরে আত্মঘাতী হামলার দায় স্বীকার করেছিল ইসলামিক স্টেট।
ক্রমবর্ধমান এই সন্ত্রাসী হুমকির প্রেক্ষিতে ভারতীয় নিরাপত্তা সংস্থাগুলি সর্বোচ্চ সতর্কতায় রয়েছে। সীমান্তবর্তী অঞ্চল ও গুরুত্বপূর্ণ ধর্মীয় স্থানে নজরদারি বাড়ানো হয়েছে। আন্তর্জাতিক মহলও পরিস্থিতির দিকে কড়া নজর রাখছে।





