মুর্শিদাবাদ, ৮ এপ্রিলঃ ভোটের ময়দানে একের পর এক প্রার্থী সরে দাঁড়ালেও ভিন্ন কৌশলে প্রচারে নেমেছেন ‘মিম-সঙ্গী’ হুমায়ুন কবীর। মঙ্গলবার বেলডাঙা থেকে হেলিকপ্টারে চেপে ডোমকল ও রেজিনগরে সভা করেন তিনি। তবে চমকপ্রদ এই প্রচার কৌশল সত্ত্বেও প্রথম দুই সভায় প্রত্যাশিত ভিড় দেখা যায়নি, বহু চেয়ারই ছিল ফাঁকা।
জানা গিয়েছে, সাদা-সবুজ রঙের হেলিকপ্টার ব্যবহার করে আগেই বিরোধীদের জোটে আসার আহ্বান জানিয়েছিলেন হুমায়ুন কবীর। কিন্তু সেই ডাকে তেমন সাড়া মেলেনি। এমনকি হেলিপ্যাডে কৌতূহলী কিছু মানুষ ভিড় করলেও সভাস্থলে জনসমাগম ছিল কম। এতে রাজনৈতিক মহলে শুরু হয়েছে নানা জল্পনা।
এই পরিস্থিতিতে হুমায়ুন কবীর জানান, “আমি ২৭ এপ্রিল পর্যন্ত হেলিকপ্টার ভাড়া নিয়েছি। মোট ৫০টি সভা করব।” তবে প্রশ্ন উঠছে, দীর্ঘদিন ধরে বেসরকারি হেলিকপ্টার ভাড়া রাখার জন্য এত বিপুল অর্থ কোথা থেকে আসছে এবং এর নেপথ্যে কারা রয়েছেন। শুধুমাত্র প্রচারের চমক তৈরি করতেই কি এই উদ্যোগ, নাকি এর পেছনে অন্য কোনও উদ্দেশ্য রয়েছে তা নিয়েও আলোচনা শুরু হয়েছে।
উল্লেখযোগ্যভাবে, বেলডাঙা থেকে ডোমকল বা রেজিনগরের দূরত্ব গাড়িতে খুব বেশি না হলেও হেলিকপ্টার ব্যবহার করেছেন তিনি। যা নিয়ে সাধারণ মানুষের মধ্যেও হাস্যরস ও কটাক্ষের সৃষ্টি হয়েছে।
এই প্রসঙ্গে তৃণমূল কংগ্রেসের রাজ্য সাধারণ সম্পাদক কুণাল ঘোষ কটাক্ষ করে বলেন, “এটা পুরোপুরি ভোটের বাজারে নিজেকে প্রচারের চেষ্টা। সভায় লোক হবে না বুঝেই হেলিকপ্টার দেখিয়ে কৌতূহল বাড়ানোর চেষ্টা।” তাঁর এই মন্তব্যে নতুন করে রাজনৈতিক বিতর্ক উসকে উঠেছে।





