শীতলকুচি, ১৪ জুন: শীতলকুচি গ্রামীণ হাসপাতাল চত্বরে একটি কক্ষে হঠাৎ আগুন লাগার ঘটনায় চাঞ্চল্য ছড়িয়ে পড়ল। রবিবার এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে হাসপাতাল জুড়ে আতঙ্কের পরিবেশ তৈরি হয়। তবে দমকলের দ্রুত তৎপরতায় আগুন নিয়ন্ত্রণে চলে আসায় বড়সড় দুর্ঘটনা এড়ানো সম্ভব হয়েছে বলে মনে করছেন হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ ও স্থানীয় বাসিন্দারা।
স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, হাসপাতালের মধ্যে উপস্থিত রোগীর পরিজন ও অন্যান্য ব্যক্তিরা প্রথমে একটি কক্ষ থেকে ঘন ধোঁয়া বের হতে দেখেন। বিষয়টি নজরে আসতেই তাঁরা দ্রুত সেখানে ছুটে যান। গিয়ে দেখা যায়, কক্ষের ভিতরে আগুন জ্বলছে এবং ধোঁয়ায় চারপাশ ঢেকে যাচ্ছে। মুহূর্তের মধ্যে খবর ছড়িয়ে পড়লে হাসপাতাল চত্বরে উদ্বেগ ও উৎকণ্ঠার পরিবেশ তৈরি হয়।
ঘটনার খবর সঙ্গে সঙ্গে দমকল বিভাগকে জানানো হয়। খবর পেয়ে দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছে যায় দমকলের একটি ইঞ্জিন। দমকল কর্মীরা পরিস্থিতি মূল্যায়ন করে আগুন নেভানোর কাজ শুরু করেন। কিছুক্ষণের মধ্যেই আগুন সম্পূর্ণ নিয়ন্ত্রণে আনা হয় এবং পরে তা নিভিয়ে ফেলা সম্ভব হয়।
প্রাথমিকভাবে জানা গিয়েছে, এই ঘটনায় কোনও রোগী বা হাসপাতালের কর্মী আহত হননি। বড় ধরনের ক্ষয়ক্ষতিরও খবর মেলেনি। তবে হাসপাতালের মতো গুরুত্বপূর্ণ পরিষেবা কেন্দ্রে আগুন লাগার ঘটনায় স্বাভাবিকভাবেই উদ্বেগ দেখা দিয়েছে।
আগুন লাগার কারণ এখনও স্পষ্ট নয়। স্থানীয়দের একাংশের অনুমান, অসাবধানতাবশত কারও ফেলে দেওয়া জ্বলন্ত বিড়ি বা সিগারেটের আগুন থেকে এই ঘটনা ঘটতে পারে। যদিও এই দাবির সত্যতা এখনও নিশ্চিত করা যায়নি। দমকল ও সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ আগুন লাগার প্রকৃত কারণ খতিয়ে দেখছে।
ঘটনার পর হাসপাতাল চত্বরে নিরাপত্তা ব্যবস্থা ও অগ্নিনির্বাপণ সংক্রান্ত প্রস্তুতি নিয়ে নতুন করে আলোচনা শুরু হয়েছে। স্থানীয়দের মতে, দমকলের দ্রুত পদক্ষেপ না হলে পরিস্থিতি আরও ভয়াবহ আকার নিতে পারত। ফলে অল্পের জন্য একটি বড়সড় দুর্ঘটনা এড়ানো সম্ভব হয়েছে।





