কোচবিহার, ২৩ সেপ্টেম্বরঃ আধুনিক চিকিৎসাবিজ্ঞানের দ্রুত অগ্রগতির সময়েও প্রাচীন আয়ুর্বেদিক চিকিৎসাপদ্ধতির প্রাসঙ্গিকতা নিয়ে আলোচনা অব্যাহত। সেই বার্তাই উঠে এল ১১তম জাতীয় আয়ুর্বেদ দিবসের অনুষ্ঠানে। জেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ দফতরের আয়ুষ বিভাগের উদ্যোগে আয়োজিত বিশেষ আলোচনা সভায় আয়ুর্বেদের গুরুত্ব, স্বাস্থ্য সুরক্ষা এবং দৈনন্দিন জীবনে আয়ুর্বেদিক চিকিৎসা ও জীবনযাপনের ভূমিকা নিয়ে আলোচনা করেন বক্তারা।
প্রদীপ প্রজ্জ্বলনের মাধ্যমে অনুষ্ঠানের সূচনা হয়। অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন জেলার মুখ্য স্বাস্থ্য আধিকারিক (সিএমওএইচ), বিশিষ্ট সমাজসেবী বিরাজ বোস, দীপা চক্রবর্তী, ডিএফও-সহ স্বাস্থ্য দফতরের আধিকারিক এবং অন্যান্য বিশিষ্ট ব্যক্তিরা।
আলোচনা সভায় বক্তারা বলেন, আয়ুর্বেদ শুধুমাত্র চিকিৎসাপদ্ধতি নয়, সুস্থ জীবনযাপনের সঙ্গেও তার গভীর যোগ রয়েছে। খাদ্যাভ্যাস, দৈনন্দিন জীবনযাপন এবং শরীর-মনকে সুস্থ রাখার বিভিন্ন প্রাচীন পদ্ধতির কথা উঠে আসে আলোচনায়। বর্তমান সময়ে ব্যস্ত জীবনযাত্রার মধ্যে কী ভাবে স্বাস্থ্যকর অভ্যাস গড়ে তোলা যায়, সেই প্রসঙ্গেও আয়ুর্বেদের ভূমিকা তুলে ধরা হয়।
একই সঙ্গে আয়ুর্বেদের দীর্ঘ ঐতিহ্য এবং বর্তমান সময়ে তার প্রাসঙ্গিকতার বিভিন্ন দিক নিয়েও আলোচনা হয়। বক্তাদের বক্তব্যে উঠে আসে, সাধারণ মানুষের মধ্যে আয়ুর্বেদ সম্পর্কে সচেতনতা বাড়ানো প্রয়োজন। বিশেষ করে স্বাস্থ্য সুরক্ষার ক্ষেত্রে আয়ুর্বেদিক চিকিৎসা ও জীবনযাপনের বিভিন্ন দিক সম্পর্কে মানুষের কাছে সঠিক তথ্য পৌঁছে দেওয়ার উপর গুরুত্ব দেওয়া হয়।
আলোচনা সভাকে ঘিরে আয়ুষ বিভাগের তরফে আয়ুর্বেদের ঐতিহ্যকে আধুনিক জনস্বাস্থ্যচর্চার সঙ্গে আরও বেশি করে যুক্ত করার বার্তাও দেওয়া হয়। অনুষ্ঠানে উপস্থিত বিশিষ্টজনেরা আয়ুর্বেদ সম্পর্কে সচেতনতা বৃদ্ধির পাশাপাশি স্বাস্থ্যকর জীবনযাপনের অভ্যাস গড়ে তোলার প্রয়োজনীয়তার কথা তুলে ধরেন।
প্রাচীন জ্ঞান ও বর্তমান সময়ের প্রয়োজন এই দুইয়ের যোগসূত্রের কথাই যেন আরও এক বার সামনে আনল জাতীয় আয়ুর্বেদ দিবসের এই আয়োজন।





