খবরিয়া ২৪ ডেস্ক, ১৪ মার্চঃ প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি-র ব্রিগেড সমাবেশের ঠিক আগেই কলকাতায় রাজনৈতিক উত্তেজনা চরমে উঠল। কলকাতার গিরিশ পার্কেএলাকায় রাজ্যের মন্ত্রী শশী পাঁজা-র বাড়িতে হামলার অভিযোগ ঘিরে তীব্র রাজনৈতিক চাপানউতোর শুরু হয়েছে।
অভিযোগ, বিজেপি সমর্থকদের একটি দল ইট-পাটকেল নিয়ে শশী পাঁজার বাড়িতে হামলা চালায়। এই ঘটনায় ভাঙচুরের পাশাপাশি আহত হন মন্ত্রী নিজেও। তাঁর পিঠে ইটের আঘাত লাগে বলে জানা গিয়েছে। ঘটনার পর অসুস্থ শরীর নিয়েই শনিবার বিকেলে সাংবাদিক বৈঠক করেন তিনি।
সাংবাদিক বৈঠকে শশী পাঁজা সরাসরি প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদিকে নিশানা করে প্রশ্ন তোলেন। তিনি বলেন, “এটাই কি আপনার নারী সুরক্ষার গ্যারান্টি?” তাঁর অভিযোগ, রাজনৈতিক উদ্দেশ্যপ্রণোদিতভাবেই এই হামলা করা হয়েছে এবং এতে বিজেপির ভূমিকা রয়েছে।
এদিনের সাংবাদিক বৈঠকে তাঁর পাশে ছিলেন রাজ্যের শিক্ষামন্ত্রী ব্রাত্য বসু এবং তৃণমূল কংগ্রেসের সাংসদ সায়ানী ঘোষ। তাঁরা একাধিক ইস্যু তুলে প্রধানমন্ত্রী মোদির বক্তব্যের তীব্র সমালোচনা করেন।
ব্রাত্য বসু বলেন, বাংলায় অশান্তির পরিবেশ তৈরি করার চেষ্টা করা হচ্ছে। একই সঙ্গে তিনি দাবি করেন, রাজনৈতিক ফায়দা তুলতেই এই ধরনের ঘটনা ঘটানো হচ্ছে। অন্যদিকে সায়নী ঘোষও বলেন, নারী সুরক্ষা নিয়ে বড় বড় কথা বললেও বাস্তবে তার প্রতিফলন দেখা যাচ্ছে না।
এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে রাজ্যের রাজনৈতিক মহলে নতুন করে উত্তাপ ছড়িয়েছে। ব্রিগেডের সভাকে ঘিরে যখন রাজনৈতিক তরজা তুঙ্গে, তখন এই হামলার অভিযোগকে কেন্দ্র করে শাসক ও বিরোধী শিবিরের মধ্যে সংঘাত আরও বাড়তে পারে বলেই মনে করছেন রাজনৈতিক পর্যবেক্ষকরা।





