খবরিয়া ২৪ ডেস্ক, ২৪ ফেব্রুয়ারিঃ রাঁচি থেকে দিল্লিগামী একটি এয়ার অ্যাম্বুল্যান্সের ভয়াবহ দুর্ঘটনায় মৃতের সংখ্যা বেড়ে দাঁড়াল ৭। অর্থাৎ বিমানে থাকা পাইলট,চিকিৎসক ও রোগী-সহ সকল যাত্রীরই মৃত্যু হয়েছে। সোমবার সন্ধ্যায় ঝাড়খণ্ডের ছাতরা জেলার সিমারিয়া জঙ্গলে ভেঙে পড়ে বিচক্র্যাফট কিং এয়ার বিই৯এল মডেলের ছোট বিমানটি।
জানা গিয়েছে, ধাবা মালিক সঞ্জয় কুমারকে উন্নত চিকিৎসার জন্য দিল্লি নিয়ে যাওয়া হচ্ছিল। কয়েকদিন আগে ধাবায় অগ্নিকাণ্ডে তাঁর শরীরের প্রায় ৬৫ শতাংশ পুড়ে যায়। রাঁচির একটি বেসরকারি হাসপাতালে চিকিৎসাধীন থাকলেও অবস্থার উন্নতি না হওয়ায় পরিবার তাঁকে দিল্লিতে স্থানান্তরের সিদ্ধান্ত নেয়। সেই উদ্দেশ্যেই এয়ার অ্যাম্বুল্যান্সের ব্যবস্থা করা হয়।
সোমবার সন্ধ্যা ৭টা ১১ মিনিটে রাঁচি থেকে উড়ান দেয় বিমানটি। রাত ১০টার মধ্যে দিল্লিতে পৌঁছানোর কথা ছিল। কিন্তু সন্ধ্যা ৭টা ৩৪ মিনিট নাগাদ কলকাতা এয়ার ট্রাফিক সার্ভিসের সঙ্গে যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন হয়ে যায়। দুর্ঘটনার আগে বিমানটি প্রায় ১৪ হাজার ফুট উচ্চতায় উড়ছিল এবং পাইলট ১৮ হাজার ফুটে ওঠার অনুমতি চেয়েছিলেন। এরপরই রাডার থেকে হারিয়ে যায় সেটি।
প্রশাসন সূত্রে জানা গিয়েছে, মাঝপথেই ছাতরার জঙ্গলে ভেঙে পড়ে বিমানটি। দুর্ঘটনার কারণ এখনও স্পষ্ট নয়। যান্ত্রিক ত্রুটি বা অন্য কোনও কারণ রয়েছে কি না তা খতিয়ে দেখতে এয়ারক্রাফ্ট অ্যাক্সিডেন্ট ইনভেস্টিগেশন ব্যুরোর বিশেষ তদন্তকারী দল ঘটনাস্থলে পৌঁছেছে। পাশাপাশি স্থানীয় পুলিশ ও দমকল বাহিনী উদ্ধারকাজে অংশ নেয়।
এই মর্মান্তিক ঘটনায় শোক প্রকাশ করেছে বিভিন্ন রাজনৈতিক দল। তৃণমূল কংগ্রেস বিমান যাত্রার নিরাপত্তা নিয়ে প্রশ্ন তুলে দ্রুত ও স্বচ্ছ তদন্তের দাবি জানিয়েছে। দুর্ঘটনার প্রকৃত কারণ উদ্ঘাটনে এখন তদন্তের দিকেই নজর সবার।





