খবরিয়া ২৪ ডেস্ক, ১৪ ফেব্রুয়ারিঃ ভোটার তালিকা সংশোধনের বিশেষ পর্যালোচনা বা এসআইআর-এর শুনানি প্রক্রিয়া আনুষ্ঠানিকভাবে শেষ হয়েছে। যদিও শনিবার ছিল শুনানির নির্ধারিত শেষ দিন, মুখ্য নির্বাচনী আধিকারিকের দপ্তর সূত্রে জানা গিয়েছে, কার্যত শুক্রবারই শুনানি পর্ব সম্পন্ন হয়েছে। বর্তমানে তথ্য আপলোড ও নথি যাচাইয়ের কাজ চলছে।
নির্বাচন কমিশন সূত্রে খবর, শুনানি চলাকালীন নোটিস পাওয়ার পরও যেসব ভোটার ইলেক্টোরাল রেজিস্ট্রেশন অফিসারদের (ইআরও) সামনে উপস্থিত হননি, তাঁদের মধ্যে ৬ লক্ষেরও বেশি ভোটারের নাম তালিকা থেকে বাদ যাওয়া প্রায় নিশ্চিত। এছাড়াও ‘লজিক্যাল ডিসক্রিপেন্সি’ এবং ‘আনম্যাপড’ ভোটারদের একটি অংশের নামও বাদ পড়তে পারে বলে জানা গিয়েছে।
কমিশনের প্রাথমিক হিসাব অনুযায়ী, খসড়া ভোটার তালিকা প্রকাশের সময়ই প্রায় ৫৮ লক্ষ নাম বাদ পড়েছিল। তার সঙ্গে শুনানিতে অনুপস্থিত ৬ লক্ষ ভোটারকে যোগ করলে সংখ্যাটি দাঁড়াচ্ছে প্রায় ৬৪ লক্ষে। আরও প্রায় ১০ লক্ষ বা তার বেশি ভোটারের নাম বাদ যেতে পারে বলে অনুমান করা হচ্ছে। সব মিলিয়ে মোট সংখ্যা ৮০ লক্ষেরও বেশি হতে পারে বলে কমিশন সূত্রে জানা গিয়েছে।
কেন এই নাম বাদ পড়ার পরিস্থিতি তৈরি হচ্ছে, সে বিষয়ে কমিশনের একাংশের বক্তব্য—লজিক্যাল ডিসক্রিপেন্সির শুনানিতে অনেকেই নির্ধারিত ১৩টি বৈধ নথির কোনওটি জমা দিতে পারেননি। পরিবর্তে সংবাদপত্রের কাটিং বা প্যান কার্ডের মতো নথি জমা দেওয়া হয়েছে, যা গ্রহণযোগ্য নয় বলে জানানো হয়েছে।
ভারত নির্বাচন কমিশন জানিয়েছে, যেসব ভোটারের নাম বাদ যাবে তাঁদের নোটিস দিয়ে কারণ জানানো হবে। নাম বাদ পড়লে প্রথমে পাঁচ দিনের মধ্যে জেলাশাসকের কাছে আবেদন করা যাবে। সেখানে সমাধান না হলে পরবর্তী পাঁচ দিনের মধ্যে মুখ্য নির্বাচনী আধিকারিকের দপ্তরে আবেদন করার সুযোগ থাকবে।
আগামী ২৮ ফেব্রুয়ারি চূড়ান্ত ভোটার তালিকা প্রকাশের কথা রয়েছে। বর্তমানে স্ক্রুটিনি প্রক্রিয়া চলছে এবং মুখ্য নির্বাচনী আধিকারিকের অনুমোদন পেলেই সংশোধিত তালিকা প্রকাশ করা হবে।





