দিনহাটা, ১১ অক্টোবরঃ শারদোৎসবের আর বেশি দেরি নেই। পুজোর আনন্দে যখন সেজে উঠছে শহর, তখন পরিচ্ছন্নতার দিকেও নজর দেওয়ার বার্তা দিলেন দিনহাটার বিধায়ক অজয় রায়। শারদীয়ার আগে শহরকে পরিচ্ছন্ন রাখতে সাফাই অভিযানে নামলেন তিনি। দিনহাটা শহরের ২ নম্বর ওয়ার্ডে জমে থাকা নোংরা-আবর্জনা পরিষ্কারের উদ্যোগে নিজেই অংশ নেন বিধায়ক। উৎসবের মরসুমে শহরকে পরিষ্কার রাখার লক্ষ্যেই এই উদ্যোগ বলে জানিয়েছেন তিনি।
পুজোর আগে শহরের রাস্তাঘাট, অলিগলি ও জনবহুল এলাকাগুলিতে পরিচ্ছন্নতা বজায় রাখা জরুরি। উৎসবের দিনগুলিতে মানুষের যাতায়াত বাড়ে, বিভিন্ন জায়গায় জমায়েতও হয়। ফলে আবর্জনা জমে থাকলে দুর্ভোগের আশঙ্কা থাকে। সেই কথা মাথায় রেখেই দিনহাটা শহরের ২ নম্বর ওয়ার্ডে সাফাই অভিযানের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে বলে জানান অজয় রায়।
বিধায়কের বক্তব্য, শারদীয়ার আগে শহরকে পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন রাখাই এই কর্মসূচির মূল উদ্দেশ্য। উৎসবের মরসুমে বাসিন্দারা যাতে পরিচ্ছন্ন পরিবেশে পুজোর আনন্দ উপভোগ করতে পারেন, সে দিকেই গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে। শহরের পরিচ্ছন্নতা বজায় রাখতে সকলের সহযোগিতাও প্রয়োজন বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্ট মহলের একাংশ।
শুধু উৎসবের আগে এক দিনের সাফাই অভিযান নয়, নিয়মিত আবর্জনা পরিষ্কার এবং নাগরিক সচেতনতার উপরও শহরের পরিচ্ছন্নতা অনেকাংশে নির্ভর করে। যেখানে-সেখানে আবর্জনা না ফেলা, নির্দিষ্ট জায়গায় বর্জ্য জমা করা এবং পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতা বজায় রাখার বিষয়ে বাসিন্দাদের সচেতন হওয়া প্রয়োজন। বিশেষ করে পুজোর মতো বড় উৎসবের সময়ে এই দায়িত্ব আরও বেড়ে যায়।
দিনহাটার ২ নম্বর ওয়ার্ডে বিধায়কের এই উদ্যোগকে সামনে রেখে উৎসবের আগে শহর পরিষ্কার রাখার বিষয়টি ফের আলোচনায় এসেছে। তবে শহরজুড়ে পরিচ্ছন্নতা বজায় রাখতে নিয়মিত সাফাই এবং বর্জ্য ব্যবস্থাপনার ধারাবাহিকতা গুরুত্বপূর্ণ।
শারদীয়ার আগে দিনহাটাকে পরিচ্ছন্ন রাখার এই উদ্যোগ কতটা ধারাবাহিক হয়, এখন নজর সে দিকেই। উৎসবের আনন্দের পাশাপাশি পরিচ্ছন্ন শহর গড়ে তোলার দায়িত্ব প্রশাসন ও নাগরিক উভয়েরই।





