আবহাওয়া আইপিএল-2025 টাকা পয়সা পশ্চিমবঙ্গ ভারত ব্যবসা চাকরি রাশিফল স্বাস্থ্য প্রযুক্তি লাইফস্টাইল শেয়ার বাজার মিউচুয়াল ফান্ড আধ্যাত্মিক অন্যান্য

---Advertisement---

ভোটার তালিকার ‘চাবি’ কার হাতে? ERO-র ক্ষমতা বনাম কমিশনের IT নিয়ন্ত্রণ ঘিরে বিতর্ক

Published on: September 25, 2026
---Advertisement---

নয়াদিল্লী, ২৫ সেপ্টেম্বরঃ ভোটার তালিকায় নাম তোলা, সংশোধন বা বাদ দেওয়ার আইনি ক্ষমতা যাঁদের হাতে, সেই ইলেক্টোরাল রেজিস্ট্রেশন অফিসার বা ERO-র সিদ্ধান্ত কি আটকে দিতে পারে কোনও সফটওয়্যার? আর সেই সফটওয়্যারের নিয়ন্ত্রণ যদি থাকে দিল্লির নির্বাচন কমিশনের IT বিভাগের হাতে? এই প্রশ্নেই এখন নির্বাচন কমিশনের অন্দরে তীব্র বিতর্ক। কেন্দ্রবিন্দুতে কমিশনের ডিরেক্টর জেনারেল (IT) সীমা খান্না।

দ্য ইন্ডিয়ান এক্সপ্রেস-এর অনুসন্ধানী প্রতিবেদনে দাবি করা হয়েছে, নির্বাচন কমিশনার সুখবীর সিং সান্ধু এবং বিবেক জোশী বার বার প্রশ্ন তুলেছেন, ERO-দের বিধিবদ্ধ ক্ষমতা প্রয়োগের ক্ষেত্রে IT ব্যবস্থার মাধ্যমে কোনও সীমাবদ্ধতা তৈরি করা যায় কি না। তাঁদের আপত্তির সূত্র ধরেই সামনে এসেছে ভোটার তালিকার ‘ডিজিটাল নিয়ন্ত্রণ’ নিয়ে প্রশ্ন।

বিতর্কের কেন্দ্রে রয়েছে ECINet। ২২ জানুয়ারি চালু হওয়া এই কেন্দ্রীয় ডিজিটাল প্ল্যাটফর্মে কমিশনের ৪০টিরও বেশি অ্যাপ ও পোর্টালকে এক ছাতার নীচে আনার কথা জানিয়েছিল ECI। কমিশনের প্রকাশিত তথ্য অনুযায়ী, এর লক্ষ্য নির্বাচনী পরিষেবাকে আরও সমন্বিত ও প্রযুক্তিনির্ভর করা।

কিন্তু অভিযোগ উঠেছে, এই কেন্দ্রীয় ব্যবস্থায় মাঠপর্যায়ের আধিকারিকদের কিছু ক্ষমতা প্রযুক্তিগত ভাবে সীমিত হয়ে পড়েছে। সবচেয়ে আলোচিত উদাহরণ গোয়া। ইন্ডিয়ান এক্সপ্রেস-এর দাবি, সেখানে ERO-রা শুনানি ও নথি যাচাইয়ের পরে ৯৭ জন ভোটারকে যোগ্য বলে মেনে নিলেও, সেই সিদ্ধান্ত সফটওয়্যারে কার্যকর করার প্রয়োজনীয় সুবিধা তখন ছিল না। ফেব্রুয়ারিতে চূড়ান্ত তালিকা প্রকাশের সময় ওই নামগুলি বাদ থেকে যায়।

গোয়ার মুখ্য নির্বাচনী আধিকারিকের দফতর ১১ থেকে ১৭ ফেব্রুয়ারির মধ্যে আট বার দিল্লিতে চিঠি পাঠিয়ে আগের সিদ্ধান্ত ফিরিয়ে নেওয়ার ‘রোলব্যাক’ সুবিধা চালুর অনুরোধ করেছিল বলে প্রতিবেদনে দাবি করা হয়েছে। পরে গোয়া CEO-র দফতর জানিয়েছে, ওই ৯৭টি মামলা আলাদা ভাবে প্রক্রিয়াধীন করা হয়েছে এবং অনেককে ইতিমধ্যেই তালিকায় অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে।

আইনের অবস্থানও এখানে গুরুত্বপূর্ণ। জনপ্রতিনিধিত্ব আইন, ১৯৫০-এর ১৩বি ধারায় ERO-র দায়িত্ব নির্ধারিত রয়েছে। একই আইনের ২২ ধারায় নির্দিষ্ট পরিস্থিতিতে ভোটার তালিকার এন্ট্রি সংশোধন, স্থানান্তর বা বাদ দেওয়ার সিদ্ধান্ত নেওয়ার ক্ষমতাও ERO-র হাতে রাখা হয়েছে, নির্ধারিত নিয়ম ও নির্বাচন কমিশনের নির্দেশ সাপেক্ষে।

সান্ধু ও জোশীর আপত্তির মূল জায়গা তাই প্রযুক্তি কি বিধিবদ্ধ সিদ্ধান্ত কার্যকর করার হাতিয়ার, নাকি প্রযুক্তিগত নিয়ন্ত্রণই শেষ পর্যন্ত সেই সিদ্ধান্তের সীমা নির্ধারণ করবে?

এখনও পর্যন্ত সীমা খান্নার বিরুদ্ধে কোনও বেআইনি কাজ ব্যক্তিগত ভাবে প্রমাণিত হয়েছে এমন তথ্য নেই। নির্বাচন কমিশনের ডিজিটাল ব্যবস্থার কার্যকারিতা নিয়েও কমিশনের নিজস্ব বক্তব্য ইতিবাচক। ফলে বিতর্কের আসল প্রশ্ন ব্যক্তিকে ঘিরে নয়, বরং নির্বাচন ব্যবস্থায় আইনি ক্ষমতা ও প্রযুক্তিগত নিয়ন্ত্রণের সীমারেখা কোথায় তা নিয়েই।

Manirul Hoque

Manirul Hoque is working as Sub Editor. Presently he is attached with Khaboriya24 Online News Portal. Manirul is involved in Copy Editing, Uploading in website.

Join WhatsApp

Join Now

Join Telegram

Join Now

পড়তে ভুলবেন না

জন্মের আগেই মাধ্যমিক পরীক্ষা! নন্দীগ্রামে বিজেপি প্রার্থী হাসিরানির হলফনামা নিয়ে হাইকোর্টে রায় স্থগিত

SIR-এ বাদ নাম ফেরানোর দাবিতে মীনাক্ষীদের মিছিল, বিবি গাঙ্গুলি স্ট্রিটে পুলিশের বাধায় ধুন্ধুমার

জ্ঞানেশ কুমারের বিরুদ্ধে শাস্তিমূলক পদক্ষেপ, সব সিদ্ধান্ত বাতিলের দাবি, মামলা সুপ্রিম কোর্টে

‘দলীয় পদ পাইয়ে দেওয়ার নামে ১৫ লক্ষ’, তোলাবাজির অভিযোগে ভোরে গ্রেফতার পিংলার প্রাক্তন বিধায়ক অজিত মাইতি

টুলুর মামলায় ফের বেঞ্চ বদল! এফআইআর চ্যালেঞ্জের মামলা ছাড়লেন বিচারপতি, সিদ্ধান্ত এখন প্রধান বিচারপতির হাতে

‘বালির টাকা যেত ক্যামাক স্ট্রিটে’, পূর্ব বর্ধমানে অভিষেককে নিশানা শুভেন্দুর, ‘সব চোরকে জেলে যেতে হবে’

Leave a Comment