শিলিগুড়ি, ২৩ সেপ্টেম্বরঃ মাসের পর মাস কাজ চলছে। কিন্তু মিলছে না প্রাপ্য সাম্মানিক ভাতা। অভিযোগ, প্রায় পাঁচ মাস ধরে নিয়মিত ভাতা পাচ্ছেন না বিভিন্ন স্কুলের মিড-ডে মিলের সহায়িকা কর্মীরা। তাঁদের দাবি, মাসিক সাম্মানিকের পুরো টাকা তো দূরের কথা, বর্তমানে মাত্র এক-চতুর্থাংশ টাকা হাতে পাচ্ছেন তাঁরা। বকেয়া ভাতা দ্রুত মেটানোর দাবিতে বুধবার সকালে শিলিগুড়ি পুরসভায় বিক্ষোভ দেখালেন কর্মীরা। পরে পুরসভার আধিকারিকের কাছে লিখিত অভিযোগও জমা দেন তাঁরা।
কর্মীদের বক্তব্য, মিড-ডে মিলের রান্না ও পরিবেশনের মতো দায়িত্ব নিয়মিত পালন করলেও দীর্ঘদিন ধরে তাঁদের প্রাপ্য সাম্মানিক ভাতা পুরোপুরি দেওয়া হচ্ছে না। যে সামান্য টাকা বর্তমানে দেওয়া হচ্ছে, তা দিয়ে সংসার চালানো তো দূরের কথা, নিজেদের ন্যূনতম প্রয়োজন মেটানোও কঠিন হয়ে পড়েছে বলে অভিযোগ তাঁদের।
শুধু সাম্মানিক ভাতা নয়, অতিরিক্ত কাজের পারিশ্রমিক নিয়েও ক্ষোভ রয়েছে কর্মীদের মধ্যে। তাঁদের দাবি, সরকার পরিবর্তনের পর বিভিন্ন সময়ে তাঁদের দিয়ে অতিরিক্ত কাজ করানো হয়েছে। সেই কাজের জন্য প্রাপ্য পারিশ্রমিক বা ভাতার টাকাও এখনও মেলেনি।
এই পরিস্থিতিতে বকেয়া টাকা দ্রুত পরিশোধের পাশাপাশি ভবিষ্যতে সাম্মানিক ভাতা নিয়মিত এবং নির্দিষ্ট সময়ে দেওয়ার দাবি জানিয়েছেন সহায়িকারা। তাঁদের বক্তব্য, সরকারি নির্দেশ অনুযায়ী যে নতুন হারে ভাতা পাওয়ার কথা, সেটিও যাতে নিয়ম মেনে সময়মতো তাঁদের অ্যাকাউন্টে পৌঁছয়, তা নিশ্চিত করতে হবে।
বুধবার সকালে সেই দাবিতেই শিলিগুড়ি পুরসভায় জড়ো হন বিভিন্ন স্কুলের মিড-ডে মিল সহায়িকারা। বিক্ষোভের পাশাপাশি পুরসভার সংশ্লিষ্ট আধিকারিকের কাছে লিখিত অভিযোগ জমা দিয়ে নিজেদের সমস্যার কথা জানান তাঁরা।
কর্মীদের অভিযোগ, সামান্য এই সাম্মানিকের উপরই তাঁদের অনেকের সংসারের গুরুত্বপূর্ণ খরচ নির্ভর করে। ফলে মাসের পর মাস টাকা আটকে থাকায় আর্থিক সমস্যাও বাড়ছে। এখন তাঁদের দাবি, শুধু আশ্বাস নয় বকেয়া মেটানোর পাশাপাশি নিয়মিত ভাতা প্রদানের জন্য দ্রুত কার্যকর ব্যবস্থা নিক প্রশাসন।





