শীতলকুচি, ৪ সেপ্টেম্বরঃ বাইরে থেকে দেখলে নেহাতই দু’টি সাধারণ বস্তা। কিন্তু তার ভিতরেই যে এমন ‘চমক’ লুকিয়ে রয়েছে, তা বোধহয় পুলিশেরও জানা ছিল না! গোপন সূত্রে খবর পেয়ে বাড়িতে তল্লাশি চালাতেই খুলে গেল রহস্য। বস্তা খুলতেই বেরিয়ে এল একের পর এক কফ সিরাপের বোতল। গণনা করে দেখা গেল, মোট ৯৬ বোতল স্কুপ কফ সিরাপ।
ঘটনাটি কোচবিহারের শীতলকুচির গাদোপোতা এলাকার। পুলিশ সূত্রে খবর, গতকাল রাতে গোপন সূত্রে পাওয়া তথ্যের ভিত্তিতে শীতলকুচি থানার ওসি নকুল রায়ের নেতৃত্বে অভিযান চালানো হয়। তল্লাশি চালানো হয় মামুনি খাতুনের বাড়িতে।
বাড়িতে ঢুকে তল্লাশির সময় পুলিশের নজরে আসে দু’টি বস্তা। প্রথমে সেগুলি দেখে বিশেষ কিছু মনে না হলেও সন্দেহ হওয়ায় বস্তা দু’টি খুলে দেখা হয়। আর তাতেই তদন্তকারীদের চোখ কপালে ওঠার জোগাড়! ভিতরে ঠাসা কফ সিরাপের বোতল।
পুলিশের দাবি, মোট ৯৬ বোতল স্কুপ কফ সিরাপ উদ্ধার করে বাজেয়াপ্ত করা হয়েছে। এই ঘটনায় মামনি খাতুন এবং সাহিদুল মিয়াকে গ্রেফতার করা হয়েছে।
তবে এখানেই শেষ নয়। এত বিপুল পরিমাণ কফ সিরাপ এল কোথা থেকে? কোথায় নিয়ে যাওয়ার পরিকল্পনা ছিল? এর পিছনে কোনও বড় চক্র কাজ করছে কি না এখন সেই প্রশ্নগুলির উত্তরই খুঁজছেন তদন্তকারীরা।
পুলিশ জানিয়েছে, তল্লাশি, উদ্ধার এবং বাজেয়াপ্তের গোটা প্রক্রিয়া NDPS Act-এর বিধি মেনেই সম্পন্ন হয়েছে। পুরো প্রক্রিয়ার সময় উপস্থিত ছিলেন শীতলকুচির জয়েন্ট বিডিও রৌণক রায়।
দু’টি বস্তা ঘিরে সন্দেহ, তার পরেই তল্লাশি। আর সেই বস্তার ভিতর থেকে ৯৬ বোতল কফ সিরাপ! এখন ওই ‘চালান’-এর উৎস এবং গন্তব্যের সন্ধানেই তদন্তের পরবর্তী ধাপ।





