আবহাওয়া আইপিএল-2025 টাকা পয়সা পশ্চিমবঙ্গ ভারত ব্যবসা চাকরি রাশিফল স্বাস্থ্য প্রযুক্তি লাইফস্টাইল শেয়ার বাজার মিউচুয়াল ফান্ড আধ্যাত্মিক অন্যান্য

---Advertisement---

ডিগ্রি নিয়ে প্রশ্ন উঠতেই মোদীকে পাল্টা চ্যালেঞ্জ দিপকের, ‘দু’জনের নথিই প্রকাশ হোক’

Published on: September 3, 2026
---Advertisement---

নিউদিল্লি, ৩ সেপ্টেম্বরঃ নিজের শিক্ষাগত যোগ্যতা নিয়ে প্রশ্ন উঠতেই পাল্টা আক্রমণের পথে ‘ককরোচ় জনতা পার্টি’র প্রতিষ্ঠাতা অভিজিৎ দিপকে। বোস্টন বিশ্ববিদ্যালয়ের ডিগ্রি নিয়ে সমাজমাধ্যমে সমালোচনা শুরু হতেই প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীকে সরাসরি চ্যালেঞ্জ ছুড়ে দিলেন তিনি। দিপকের দাবি, তাঁর শিক্ষাগত যোগ্যতার নথি, এমনকি স্কলারশিপ সংক্রান্ত চিঠিও প্রকাশ্যে আনতে তিনি প্রস্তুত। তবে একই সঙ্গে প্রধানমন্ত্রীর কাছেও নিজের শিক্ষাগত নথি প্রকাশের দাবি জানিয়েছেন তিনি।

দিপকের বক্তব্য, শুধু তাঁর ডিগ্রি নিয়ে কেন প্রশ্ন উঠবে? প্রধানমন্ত্রীর শিক্ষাগত যোগ্যতা নিয়েও দীর্ঘদিন ধরে বিতর্ক রয়েছে। তাই দু’জনের নথি প্রকাশ্যে এলেই যাবতীয় বিতর্কের অবসান হতে পারে বলে দাবি তাঁর।

সম্প্রতি এক্স-এ একটি পোস্ট করে প্রধানমন্ত্রীকে সরাসরি ট্যাগ করেন দিপকে। তাঁর দাবি, সাধারণ মানুষ প্রায় ১২ বছর ধরে প্রধানমন্ত্রীর শিক্ষাগত নথি নিজের চোখে দেখার অপেক্ষায় রয়েছেন। ২০১৪ সাল থেকে নরেন্দ্র মোদী দেশের প্রধানমন্ত্রী সেই হিসাবেই ১২ বছরের প্রসঙ্গ তুলেছেন তিনি।

অভিজিৎ দিপকে একসময় আম আদমি পার্টির কৌশলবিদ হিসেবে কাজ করেছেন। চলতি বছরের মে মাসে তাঁর নেতৃত্বে আত্মপ্রকাশ করে ‘ককরোচ় জনতা পার্টি’। পরীক্ষার প্রশ্নপত্র ফাঁস, বেকারত্ব-সহ ছাত্র ও যুবসমাজের বিভিন্ন সমস্যাকে সামনে রেখে ব্যঙ্গাত্মক রাজনৈতিক আন্দোলন হিসাবেই দলটির যাত্রা শুরু।

প্রধানমন্ত্রীর শিক্ষাগত যোগ্যতা নিয়ে অবশ্য এই প্রথম প্রশ্ন উঠল না। প্রায় এক দশক আগে অরবিন্দ কেজরিওয়াল এবং আপের তরফে আরটিআইয়ের মাধ্যমে মোদীর শিক্ষাগত নথি প্রকাশের দাবি উঠেছিল। তাঁর বিএ এবং এমএ ডিগ্রি নিয়েও প্রশ্ন তোলা হয়েছিল।

পরে তৎকালীন বিজেপি সভাপতি অমিত শাহ এবং কেন্দ্রীয় মন্ত্রী অরুণ জেটলি সাংবাদিক বৈঠক করে মোদীর ডিগ্রির কপি প্রকাশ করেছিলেন। বিজেপির দাবি ছিল, ১৯৭৮ সালে দিল্লি বিশ্ববিদ্যালয় থেকে বিএ এবং ১৯৮৩ সালে গুজরাত বিশ্ববিদ্যালয় থেকে এমএ পাশ করেন মোদী। অভিযোগগুলি ‘ভিত্তিহীন’ বলেও দাবি করেছিল দল।

বিতর্ক পরে আদালত পর্যন্ত গড়ায়। ২০২৫ সালের অগস্টে দিল্লি হাইকোর্ট শিক্ষাগত নথিকে ব্যক্তিগত তথ্যের আওতায় রেখে তা প্রকাশ বাধ্যতামূলক নয় বলে জানিয়েছিল। সেই রায়ের বিরুদ্ধে ডিভিশন বেঞ্চে আপিলও হয়েছে। এখন দিপকের চ্যালেঞ্জের জবাব কী আসে, সেদিকেই নজর। এখনও প্রধানমন্ত্রী বা বিজেপির তরফে তাঁর মন্তব্যের কোনও প্রতিক্রিয়া মেলেনি।

Manirul Hoque

Manirul Hoque is working as Sub Editor. Presently he is attached with Khaboriya24 Online News Portal. Manirul is involved in Copy Editing, Uploading in website.

Join WhatsApp

Join Now

Join Telegram

Join Now

Leave a Comment