নয়াদিল্লী, ১৫ অক্টোবরঃ ভারতে ফিরতেই নতুন আইনি জটিলতায় ইউটিউবার ধ্রুব রাঠি। আট বছরের পুরনো একটি মানহানির মামলায় তাঁকে সমন পাঠাল দিল্লির সাকেত আদালত। মামলাটি দায়ের করেছিলেন বিকাশ পাণ্ডে নামে এক ব্যক্তি। আগামী ১৭ অক্টোবর এই মামলার পরবর্তী শুনানির দিন ধার্য হয়েছে। ২০১৮ সালে প্রকাশিত একটি ভিডিওকে কেন্দ্র করে শুরু হওয়া এই আইনি লড়াই ফের সামনে আসায় রাজনৈতিক মহলেও শুরু হয়েছে চর্চা।
মামলাকারী বিকাশ পাণ্ডে ‘আই সাপোর্ট নরেন্দ্র মোদি’ নামে একটি সমাজমাধ্যম পেজের প্রতিষ্ঠাতা। তাঁর অভিযোগ, ২০১৮ সালের মে মাসে ধ্রুব ‘বিজেপি আইটি সেল পার্ট ২’ শিরোনামে একটি ভিডিও প্রকাশ করেছিলেন। সেই ভিডিওতে বিকাশকে বিজেপির তথ্যপ্রযুক্তি শাখার সদস্য বলে দাবি করা হয় এবং তাঁকে নিয়ে মিথ্যা ও মানহানিকর মন্তব্য করা হয়েছিল বলে অভিযোগ মামলাকারীর।
বিকাশের আরও দাবি, ওই ভিডিওতে ধ্রুব জানিয়েছিলেন, মহাবীর প্রসাদ নামে এক ব্যক্তি ভুয়ো খবর ছড়ানোর অভিযোগে তাঁর বিরুদ্ধে মামলা করেছিলেন। সেই অভিযোগ প্রত্যাহার করানোর জন্য বিকাশ তাঁকে ৫০ লক্ষ টাকা দিয়েছিলেন বলেও ভিডিওতে দাবি করা হয়েছিল বলে অভিযোগ। এই বক্তব্যগুলির জেরেই মানহানির মামলা দায়ের করেন বিকাশ। তবে অভিযোগগুলি মামলাকারীর বক্তব্য; আদালতে সেগুলির সত্যতা প্রমাণিত হয়েছে, এমন নয়।
এ দিকে, ধ্রুবকে ঘিরে বিতর্কের আবহ আরও ঘনীভূত হয়েছে সাম্প্রতিক দিল্লির ঘটনাকে কেন্দ্র করে। গত শনিবার ‘ককরোচ জনতা পার্টি’ (সিজেপি)-র বিক্ষোভের আগে গুরুগ্রামের বাড়ি থেকে তাঁকে আটক করেছিল পুলিশ বলে খবর। প্রায় ২০-২২ ঘণ্টা পর তাঁকে ছেড়ে দেওয়া হয়। পুলিশের এক আধিকারিকের বক্তব্য অনুযায়ী, নিষেধাজ্ঞা অমান্য করে ফের যন্তর মন্তরে যাওয়ার চেষ্টা করলে তাঁর বিরুদ্ধে পরবর্তী সময়ে আইনি পদক্ষেপ করা হতে পারে।
এক দিকে পুরনো মানহানির মামলা, অন্য দিকে দিল্লির বিক্ষোভ ঘিরে সাম্প্রতিক ঘটনাপ্রবাহ দুইয়ের জেরে ফের আলোচনায় ধ্রুব রাঠি। তবে সাকেত আদালতে চলা মামলার পরবর্তী শুনানিতেই স্পষ্ট হবে, আট বছর আগের ভিডিও ঘিরে আইনি প্রক্রিয়া কোন দিকে এগোয়।





