কলকাতা, ৫ মেঃ পশ্চিমবঙ্গে বিজেপির ঐতিহাসিক জয়ের পর এখন নজর মুখ্যমন্ত্রী নির্বাচন এবং নতুন মন্ত্রিসভা গঠনের দিকে। আগামী ৯ মে নবনির্বাচিত বিজেপি বিধায়কদের শপথ গ্রহণের কথা রয়েছে। তার আগে কে হবেন মুখ্যমন্ত্রী এবং কারা জায়গা পাবেন মন্ত্রিসভায় তা নিয়ে জল্পনা তুঙ্গে। এই আবহেই নিজের ভূমিকা নিয়ে মুখ খুললেন বিজেপির ‘দাবাং’ নেতা দিলীপ ঘোষ।
খড়্গপুর সদর কেন্দ্র থেকে জয়ী হয়ে ফের বিধানসভায় ফিরেছেন দিলীপ। প্রায় ৩০ হাজারের বেশি ভোটে তৃণমূল প্রার্থী প্রদীপ সরকারকে হারিয়েছেন তিনি। মন্ত্রিসভায় তাঁর সম্ভাব্য অন্তর্ভুক্তি নিয়ে প্রশ্ন উঠতেই দিলীপ বলেন, “দল আমায় টিকিট দিয়েছিল, আমি লড়েছি এবং জিতেছি। এবার দল যে দায়িত্ব দেবে, সেটাই মাথা পেতে নেব।”
তিনি আরও বলেন, “পশ্চিমবঙ্গের মানুষ দীর্ঘদিন তৃণমূলকে সুযোগ দিয়েছিল। কিন্তু এবার আর সেই সুযোগ দেয়নি। মানুষের রায়ে পরিবর্তন এসেছে।” তাঁর বক্তব্যে রাজনৈতিক বার্তাও স্পষ্ট নতুন সরকারে দলের সিদ্ধান্তই শেষ কথা।
উল্লেখ্য, দিলীপ ঘোষ প্রথমবার খড়্গপুর সদর থেকেই জয়ী হয়েছিলেন। এক দশক পর আবার সেই কেন্দ্রেই ফিরে জয় পাওয়ায় রাজনৈতিকভাবে তাঁর অবস্থান আরও মজবুত হয়েছে। এর আগে লোকসভা নির্বাচনে অন্য কেন্দ্র থেকে লড়ে পরাজিত হওয়ার পর কিছুটা চাপে পড়লেও তিনি মনোবল হারাননি। বরং সংগঠনের প্রতি আস্থা রেখেই নিজের লড়াই চালিয়ে গিয়েছেন।
রাজনৈতিক মহলের মতে, রাজ্য বিজেপির সভাপতি হিসেবে শমীক ভট্টাচার্যের দায়িত্ব নেওয়ার পর দলের অভ্যন্তরীণ সমীকরণে পরিবর্তন আসে এবং দিলীপ ঘোষের গুরুত্বও বাড়ে। তারই প্রতিফলন দেখা যায় প্রার্থী নির্বাচনেও।
এখন দেখার, নতুন মন্ত্রিসভায় দিলীপ ঘোষ কতটা গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব পান। তবে আপাতত তিনি দলের সিদ্ধান্তের অপেক্ষায় রয়েছেন এবং স্পষ্ট জানিয়ে দিয়েছেন দলই তাঁর কাছে সর্বাগ্রে।





