কলকাতা, ১৩ অক্টোবর: দুর্গাপুজোর উদ্বোধন, প্রশাসনিক ব্যস্ততা সবের মধ্যেই আচমকা রাজধানী সফরের সিদ্ধান্ত। মঙ্গলবার বিকেলেই দিল্লি উড়ে যাচ্ছেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। তাঁর কথায়, কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রকের আমন্ত্রণে ব্রিকস সংক্রান্ত একটি নৈশভোজ ও বৈঠকে যোগ দিতে হবে তাঁকে। সব কিছু ঠিক থাকলে রাতেই কলকাতায় ফিরে আসবেন তিনি। মুখ্যমন্ত্রীর এই আকস্মিক সফরের জেরে দিনের অন্যান্য কর্মসূচিতে কাটছাঁট করতে হচ্ছে বলে খবর।
মঙ্গলবার রানাঘাট ৪ পল্লি দুর্গা উৎসব কমিটির পুজো উদ্বোধনে গিয়েছিলেন মুখ্যমন্ত্রী। হেলিকপ্টারে হবিবপুরের ছাতিমতলা ময়দানে পৌঁছন তিনি। সেখান থেকে সড়কপথে রানাঘাটের পুজোমণ্ডপে যান। অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন রানাঘাট উত্তর-পশ্চিমের বিধায়ক পার্থসারথী চট্টোপাধ্যায়-সহ স্থানীয় নেতৃত্ব। পুজোর উদ্বোধন সেরে বেরনোর পরই নিজের দিল্লি সফরের কথা জানান শুভেন্দু।
মুখ্যমন্ত্রী বলেন, “কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর তরফে ব্রিকসের একটি ডিনার মিটিং আছে। বিকেলে যাব। রাতেই ফিরে আসব।” তাঁর বক্তব্য, রাজ্যের কয়েকজন সাংসদকেও এই অনুষ্ঠানে আমন্ত্রণ জানানো হয়েছে। তাঁরাও সেখানে উপস্থিত থাকবেন।
স্বল্প সময়ের এই সফর ঘিরে রাজনৈতিক মহলে কৌতূহল তৈরি হয়েছে। তবে নির্ধারিত নৈশভোজ ও বৈঠকের বাইরে অন্য কোনও কর্মসূচির কথা জানাননি মুখ্যমন্ত্রী। ফলে দিল্লিতে তাঁর সফরের মূল পরিসর আপাতত ওই অনুষ্ঠানেই সীমাবদ্ধ বলে জানা যাচ্ছে।
এ দিন সাংবাদিকদের প্রশ্নের মুখেও পড়েন শুভেন্দু। হিন্দু জাগরণ মঞ্চের তরফে বিরিয়ানি খাওয়া এবং দোকানের পরিচয় নিয়ে করা মন্তব্য ঘিরে বিতর্ক প্রসঙ্গে তাঁর বক্তব্য জানতে চাওয়া হয়। জবাবে মুখ্যমন্ত্রী বলেন, “মত প্রকাশের অধিকার সবার আছে। মত প্রকাশ করছে। আমাদের দেশে বাক্স্বাধীনতা রয়েছে। মত প্রকাশের অধিকারও রয়েছে।”
দুর্গাপুজোর উদ্বোধন থেকে রাজধানীর বৈঠক একই দিনে দুই ভিন্ন কর্মসূচি সামলাতে হচ্ছে মুখ্যমন্ত্রীকে। বিকেলের দিল্লি সফর এবং রাতেই ফেরার পরিকল্পনার মধ্যে রাজ্যের বাকি কর্মসূচিগুলি কী ভাবে সাজানো হয়, এখন নজর সেদিকেই।





