মালদা, ১৮ মার্চঃ দীর্ঘ তিন মাস ধরে ট্যাপকলে জল না আসায় চরম জল সংকটে ভুগছে হরিশচন্দ্রপুর ১ ব্লক-এর সিমলা গ্রামের বাসিন্দারা। বুধবার সকালে বালতি ও কলসি হাতে রাস্তায় নেমে বিক্ষোভ দেখান গ্রামবাসীরা। তাদের অভিযোগ, পানীয় জলের তীব্র সংকটের মধ্যেও পিএইচই-র জল কৃষিজমিতে সেচের কাজে ব্যবহার করা হচ্ছে।
স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, রাঙ্গাইপুর পিএইচই প্রকল্প থেকে প্রায় তিন মাস ধরে জল সরবরাহ বন্ধ রয়েছে। ফলে গ্রামবাসীদের বাধ্য হয়ে অগভীর নলকূপের আয়রনযুক্ত জল পান করতে হচ্ছে। কিন্তু গরম বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে জলস্তর নিচে নেমে যাওয়ায় নলকূপ থেকেও ঠিকমতো জল মিলছে না।
বিক্ষোভকারীদের অভিযোগ, পাম্প অপারেটর সামসুল হক বিভিন্ন অজুহাত দেখিয়ে নিয়মিত জল সরবরাহ করছেন না। বরং সেই জল মাখনা ও ভুট্টার জমিতে সেচের কাজে ব্যবহার করা হচ্ছে। এতে গ্রামের মানুষ চরম দুর্ভোগের মধ্যে পড়েছেন।
স্থানীয় বাসিন্দা তানজিমা খাতুন, হুসনেরা খাতুন ও তহরুনা বিবিরা জানান, “তিন মাস ধরে ট্যাপকলে জল নেই। নলকূপের অবস্থাও খারাপ। জলস্তর এতটাই নেমে গিয়েছে যে জল পাওয়াই দুষ্কর হয়ে উঠেছে।”
অভিযোগের জবাবে পাম্প অপারেটর সামসুল হক জানান, দুটি পাম্পের মধ্যে একটি দীর্ঘদিন ধরে খারাপ। অন্য পাম্পটিও সম্প্রতি বিকল হয়ে পড়েছে। ফলে জল সরবরাহ ব্যাহত হচ্ছে। তবে তিনি স্বীকার করেন, মাখনার জমিতে জল দেওয়া হয়েছে। এই ঘটনায় এলাকায় চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে। দ্রুত সমস্যার সমাধান না হলে বৃহত্তর আন্দোলনের হুঁশিয়ারি দিয়েছেন গ্রামবাসীরা।





