শীতলকুচি, ১৬ মার্চঃ আসন্ন পশ্চিমবঙ্গ বিধানসভা নির্বাচন ২০২৬-কে সামনে রেখে কোচবিহারের শীতলকুচি বিধানসভা কেন্দ্রে বড়সড় চমক দিল ভারতীয় জনতা পার্টি । দলের প্রথম দফার প্রার্থী তালিকায় এই কেন্দ্র থেকে প্রার্থী করা হয়েছে সাবিত্রী বর্মণ-কে। ফলে এবারের নির্বাচনে টিকিট পাননি বর্তমান বিজেপি বিধায়ক বরেন বর্মন।
২০২১ সালের বিধানসভা নির্বাচনে শীতলকুচি কেন্দ্র থেকে বিজেপির প্রার্থী হিসেবে জয়ী হয়েছিলেন বরেন বর্মন। কিন্তু এবারের নির্বাচনে দল নতুন মুখের উপর ভরসা রাখায় রাজনৈতিক মহলে শুরু হয়েছে জোর জল্পনা। প্রার্থী পরিবর্তনের এই সিদ্ধান্তকে অনেকেই বিজেপির কৌশলগত পদক্ষেপ হিসেবে দেখছেন।
নির্বাচন কমিশনের ঘোষণামতো, প্রথম দফার ভোটে আগামী ২৩ এপ্রিল শীতলকুচি কেন্দ্রে ভোটগ্রহণ হবে। সেই ভোটকে সামনে রেখে ইতিমধ্যেই এলাকায় রাজনৈতিক তৎপরতা তুঙ্গে উঠেছে। বিজেপির পক্ষ থেকে দাবি করা হয়েছে, সংগঠনকে আরও শক্তিশালী করা এবং নতুন সমীকরণ তৈরির লক্ষ্যেই সাবিত্রী বর্মনকে প্রার্থী করা হয়েছে।
অন্যদিকে, বর্তমান বিধায়ক বরেন বর্মনের নাম বাদ পড়ায় স্থানীয় রাজনৈতিক মহলে নানা প্রশ্নও উঠতে শুরু করেছে। দলের অন্দরমহলে এই সিদ্ধান্ত নিয়ে কী প্রতিক্রিয়া তৈরি হয়, সেটাও এখন নজরে রাখছে রাজনৈতিক মহল। যদিও বিজেপির স্থানীয় নেতৃত্বের দাবি, দলীয় সিদ্ধান্ত মেনেই কর্মী-সমর্থকেরা ঐক্যবদ্ধভাবে নির্বাচনী লড়াইয়ে নামবেন।
প্রার্থী ঘোষণার পর থেকেই শীতলকুচি বিধানসভা এলাকায় নির্বাচনী উত্তাপ আরও বেড়েছে। বিজেপি ইতিমধ্যেই প্রচার ও সংগঠন মজবুত করার কাজে নেমে পড়েছে। পাশাপাশি অন্যান্য রাজনৈতিক দলগুলিও নিজেদের প্রার্থী ও কৌশল চূড়ান্ত করতে ব্যস্ত। সব মিলিয়ে প্রার্থী পরিবর্তনের এই সিদ্ধান্তে শীতলকুচির ভোটের লড়াই এবার আরও জমে উঠবে বলেই মনে করছে রাজনৈতিক মহল।
শীতলকুচি, ১৬ মার্চঃ আসন্ন পশ্চিমবঙ্গ বিধানসভা নির্বাচন ২০২৬-কে সামনে রেখে কোচবিহারের শীতলকুচি বিধানসভা কেন্দ্রে বড়সড় চমক দিল ভারতীয় জনতা পার্টি । দলের প্রথম দফার প্রার্থী তালিকায় এই কেন্দ্র থেকে প্রার্থী করা হয়েছে সাবিত্রী বর্মণ-কে। ফলে এবারের নির্বাচনে টিকিট পাননি বর্তমান বিজেপি বিধায়ক বরেন বর্মন।
২০২১ সালের বিধানসভা নির্বাচনে শীতলকুচি কেন্দ্র থেকে বিজেপির প্রার্থী হিসেবে জয়ী হয়েছিলেন বরেন বর্মন। কিন্তু এবারের নির্বাচনে দল নতুন মুখের উপর ভরসা রাখায় রাজনৈতিক মহলে শুরু হয়েছে জোর জল্পনা। প্রার্থী পরিবর্তনের এই সিদ্ধান্তকে অনেকেই বিজেপির কৌশলগত পদক্ষেপ হিসেবে দেখছেন।
নির্বাচন কমিশনের ঘোষণামতো, প্রথম দফার ভোটে আগামী ২৩ এপ্রিল শীতলকুচি কেন্দ্রে ভোটগ্রহণ হবে। সেই ভোটকে সামনে রেখে ইতিমধ্যেই এলাকায় রাজনৈতিক তৎপরতা তুঙ্গে উঠেছে। বিজেপির পক্ষ থেকে দাবি করা হয়েছে, সংগঠনকে আরও শক্তিশালী করা এবং নতুন সমীকরণ তৈরির লক্ষ্যেই সাবিত্রী বর্মনকে প্রার্থী করা হয়েছে।
অন্যদিকে, বর্তমান বিধায়ক বরেন বর্মনের নাম বাদ পড়ায় স্থানীয় রাজনৈতিক মহলে নানা প্রশ্নও উঠতে শুরু করেছে। দলের অন্দরমহলে এই সিদ্ধান্ত নিয়ে কী প্রতিক্রিয়া তৈরি হয়, সেটাও এখন নজরে রাখছে রাজনৈতিক মহল। যদিও বিজেপির স্থানীয় নেতৃত্বের দাবি, দলীয় সিদ্ধান্ত মেনেই কর্মী-সমর্থকেরা ঐক্যবদ্ধভাবে নির্বাচনী লড়াইয়ে নামবেন।
প্রার্থী ঘোষণার পর থেকেই শীতলকুচি বিধানসভা এলাকায় নির্বাচনী উত্তাপ আরও বেড়েছে। বিজেপি ইতিমধ্যেই প্রচার ও সংগঠন মজবুত করার কাজে নেমে পড়েছে। পাশাপাশি অন্যান্য রাজনৈতিক দলগুলিও নিজেদের প্রার্থী ও কৌশল চূড়ান্ত করতে ব্যস্ত। সব মিলিয়ে প্রার্থী পরিবর্তনের এই সিদ্ধান্তে শীতলকুচির ভোটের লড়াই এবার আরও জমে উঠবে বলেই মনে করছে রাজনৈতিক মহল।





