আবহাওয়া আইপিএল-2025 টাকা পয়সা পশ্চিমবঙ্গ ভারত ব্যবসা চাকরি রাশিফল স্বাস্থ্য প্রযুক্তি লাইফস্টাইল শেয়ার বাজার মিউচুয়াল ফান্ড আধ্যাত্মিক অন্যান্য

---Advertisement---

প্রমাণ নষ্ট ও মিথ্যা রিপোর্টের অভিযোগ, দিল্লি হাই কোর্টের নির্দেশে বিএসএফ কর্তাদের বিরুদ্ধে তদন্তে সিবিআই

Published on: March 9, 2026
---Advertisement---

কলকাতা, ৯ মার্চঃ সীমান্ত থেকে নিষিদ্ধ কাশির ওষুধ পাচার সংক্রান্ত ২০০৮ সালের এক পুরনো মামলায় এবার তদন্তে নামল কেন্দ্রীয় তদন্ত ব্যুরো। অভিযোগ উঠেছে, কিছু বিএসএফ) আধিকারিক প্রমাণ নষ্ট করেছেন এবং নিম্নপদস্থ কর্মীদের উপর দোষ চাপানোর চেষ্টা করেছেন। দিল্লি হাইকোর্ট-এর নির্দেশে সম্প্রতি সিবিআইয়ের কলকাতা দফতরে মামলা দায়ের করা হয়েছে এবং তদন্ত শুরু হয়েছে।

সিবিআই সূত্রে জানা গিয়েছে, ঘটনাটি ঘটেছিল ২০০৮ সালের ২৬ ডিসেম্বর। সেদিন মুর্শিদাবাদের দয়ারামপুর বর্ডার আউটপোস্টে কর্মরত ছিলেন বিএসএফের দুই কনস্টেবল বি. ভেঙ্কটস্বামী ও তারসেম সিং। অভিযোগ, এক পাচারকারীর কাছ থেকে তাঁরা ৭৫ বোতল নিষিদ্ধ কাশির ওষুধ উদ্ধার করেন, যা বাংলাদেশে পাচার হওয়ার কথা ছিল। দুই জওয়ান এই বিষয়ে ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে জানান।

কিন্তু তাঁদের কাজের প্রশংসা করার বদলে কয়েকজন বিএসএফ আধিকারিক উল্টে তাঁদের বিরুদ্ধেই অভিযোগ তোলেন। দাবি করা হয়, ওই দুই কনস্টেবল মিথ্যা রিপোর্ট দিয়েছেন এবং পাচার চক্রের সঙ্গে তাঁরাই যুক্ত। দুই জওয়ানের অভিযোগ, তাঁদের বিরুদ্ধে অভিযোগ প্রমাণ করতে কিছু আধিকারিক গুরুত্বপূর্ণ নথি ও প্রমাণ নষ্ট করেছিলেন।

এই ঘটনার ভিত্তিতে ২০০৯ সালের ৫ মে বিএসএফ আইনে তাঁদের চাকরি থেকে বরখাস্ত করা হয়। পরে তাঁরা ন্যায়বিচারের দাবিতে দিল্লি হাই কোর্টের দ্বারস্থ হন।

গত বছরের সেপ্টেম্বর মাসে মামলার শুনানিতে আদালত জানায়, এই ঘটনায় আরও বিস্তৃত তদন্ত প্রয়োজন। আদালত কয়েকটি নথি নিয়ে সন্দেহ প্রকাশ করে এবং মন্তব্য করে যে, বিষয়টি শুধু দুই জওয়ানের চাকরি হারানোর ঘটনা নয়; এর সঙ্গে প্রমাণ নষ্ট ও সীমান্ত পাচারের সম্ভাব্য যোগসূত্রও জড়িয়ে থাকতে পারে।

এর পরই আদালত সিবিআইকে তদন্তের নির্দেশ দেয়। সেই নির্দেশের ভিত্তিতে অজ্ঞাতপরিচয় কয়েকজন বিএসএফ আধিকারিক এবং অন্য ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করা হয়েছে। সিবিআইয়ের কলকাতার দুর্নীতি দমন শাখার আধিকারিকরা ইতিমধ্যেই তদন্ত শুরু করেছেন। প্রয়োজনে কয়েকজনকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য তলব করা হতে পারে এবং তদন্তকারীরা ঘটনাস্থল দয়ারামপুরেও যেতে পারেন বলে সূত্রের খবর।

Manirul Hoque

Manirul Hoque is working as Sub Editor. Presently he is attached with Khaboriya24 Online News Portal. Manirul is involved in Copy Editing, Uploading in website.

Join WhatsApp

Join Now

Join Telegram

Join Now

Leave a Comment