আবহাওয়া আইপিএল-2025 টাকা পয়সা পশ্চিমবঙ্গ ভারত ব্যবসা চাকরি রাশিফল স্বাস্থ্য প্রযুক্তি লাইফস্টাইল শেয়ার বাজার মিউচুয়াল ফান্ড আধ্যাত্মিক অন্যান্য

---Advertisement---

সরশুনা কাণ্ডে তদন্তের পুনর্নির্মাণ, কোমরে দড়ি বেঁধে অভিযুক্তদের ঘটনাস্থলে নিয়ে গেল পুলিশ

Published on: October 27, 2026
---Advertisement---

কলকাতা, ২৭ অক্টোবরঃ  প্রেমিকার সঙ্গে কথা বলা, চুম্বন করার ‘অপরাধে’ তরুণ, তাঁর বাবা ও বন্ধুকে নগ্ন করে রাস্তায় হাঁটানোর অভিযোগ। সেই ঘটনার ভিডিয়ো সমাজমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়তেই তীব্র আলোড়ন তৈরি হয়েছিল রাজ্যে। এ বার সরশুনা কাণ্ডে তদন্তের পুনর্নির্মাণ করতে গিয়ে অভিযুক্তদের কোমরে দড়ি বেঁধে ঘটনাস্থলে নিয়ে গেল পুলিশ। মঙ্গলবার নাবালিকার বাবা, মামা এবং ভিডিয়ো করার অভিযোগে ধৃত আরও এক ব্যক্তিকে ঘটনাস্থলে নিয়ে যাওয়া হয়। অভিযুক্তদের কঠোর শাস্তির দাবি জানিয়েছেন স্থানীয় বাসিন্দারা।

পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, গত ২৫ তারিখ সরশুনা থানা এলাকার একটি খালপাড়ের মাঠে নাবালিকা প্রেমিকার সঙ্গে দেখা করতে গিয়েছিলেন এক তরুণ। কিছুটা দূরে ছিলেন তাঁর এক বন্ধু। অভিযোগ, তাঁদের ঘনিষ্ঠ অবস্থায় দেখে ফেলেন নাবালিকার মামার এক পরিচিত। পরে বিষয়টি জানানো হয় নাবালিকার পরিবারকে। এর পরেই তরুণ ও তাঁর বন্ধুকে ডেকে পাঠানো হয় বলে অভিযোগ।

অভিযোগ, সেখানে তাঁদের হেনস্থা করা হয়। পরে তরুণের বাবাকেও ডেকে আনা হয়। অভিযোগ, তিন জনকে হুমকি দিয়ে নগ্ন অবস্থায় বাড়ির সামনের গলিতে প্রায় ৫০ মিটার হাঁটতে বাধ্য করা হয়। সেই ঘটনার ভিডিয়ো সমাজমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ে। ঘটনাটি প্রকাশ্যে আসার পরেই নিন্দার ঝড় ওঠে।

এই ঘটনায় নাবালিকার বাবা, মা ও মামাকে গ্রেফতার করেছে সরশুনা থানার পুলিশ। পরে আরও এক ব্যক্তিকে গ্রেফতার করা হয়। তদন্তকারীদের দাবি, ওই ব্যক্তি ঘটনার ভিডিয়ো করেছিলেন। যদিও অভিযোগের চূড়ান্ত সত্যতা বিচারাধীন।

ধৃতদের বিরুদ্ধে ভারতীয় ন্যায় সংহিতার একাধিক ধারায় মামলা রুজু হয়েছে। তার মধ্যে খুনের চেষ্টা, অস্ত্র দিয়ে আঘাত, অন্যায় ভাবে আটকে রাখা ও মানহানির অভিযোগ রয়েছে। পাশাপাশি অস্ত্র আইনেও মামলা করা হয়েছে বলে পুলিশ সূত্রে খবর।

মঙ্গলবার তদন্তের স্বার্থে অভিযুক্তদের ঘটনাস্থলে নিয়ে গিয়ে ঘটনার পুনর্নির্মাণ করা হয়। সেই সময় তাঁদের কোমরে দড়ি বেঁধে খালি গায়ে নিয়ে যাওয়ার দৃশ্য ঘিরে এলাকায় চর্চা শুরু হয়েছে। ঘটনায় অভিযুক্তদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি তুলেছেন স্থানীয় বাসিন্দারা।

তবে তদন্তের পাশাপাশি আইনি প্রক্রিয়ায় অভিযোগের সত্যতা যাচাই করাও গুরুত্বপূর্ণ। সরশুনার এই ঘটনা ফের প্রশ্ন তুলেছে ব্যক্তিগত সম্পর্ককে কেন্দ্র করে কোনও বিরোধ তৈরি হলেও, আইন নিজের হাতে তুলে নেওয়ার অধিকার কারও নেই। বিচার হবে আদালতে, আর তদন্তের দায়িত্ব পুলিশের।

Manirul Hoque

Manirul Hoque is working as Sub Editor. Presently he is attached with Khaboriya24 Online News Portal. Manirul is involved in Copy Editing, Uploading in website.

Join WhatsApp

Join Now

Join Telegram

Join Now

Leave a Comment