মাথাভাঙ্গা, ১১ ডিসেম্বর: শিকারপুর গ্রাম পঞ্চায়েতের বড়োদোলা এলাকায় চিতাবাঘের হানায় জখম একজন গ্রামবাসী। এরপর থেকেই আতঙ্কে দিন কাটছে এলাকাবাসীর। গত বুধবার সকালে গণেশ বর্মন নামে এক ব্যক্তি চিতাবাঘের আক্রমণে গুরুতর আহত হন। তাঁকে উদ্ধার করে প্রথমে মাথাভাঙ্গা মহকুমা হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়। প্রাথমিক চিকিৎসার পর তাঁর শারীরিক অবস্থার অবনতি হওয়ায় শিলিগুড়ি রেফার করেন চিকিৎসকরা।
এই ঘটনার পরেই গোটা বড়োদোলা এলাকায় চাঞ্চল্য ছড়িয়ে পড়ে। খবর পেয়ে বন দফতরের কর্মীরা দ্রুত পৌঁছে যান ঘটনাস্থলে। রাতেই চিতাবাঘ ধরার উদ্দেশ্যে বিশেষ খাঁচা পাতা হয়। তবে বৃহস্পতিবার সকাল পর্যন্ত খাঁচায় চিতাবাঘ ধরা পড়েনি বলে বন দফতর সূত্রে জানা গিয়েছে।
স্থানীয় বাসিন্দাদের দাবি, গণেশ বর্মনের ওপর হামলার পর আর চিতাবাঘটিকে দেখা যায়নি। তবে হঠাৎ আবারও আক্রমণ করতে পারে এই আশঙ্কায় আতঙ্ক কাটছে না গ্রামবাসীদের মনে। সন্ধ্যার পর থেকে অনেকেই ঘর থেকে বেরোতে সাহস পাচ্ছেন না। শিশু ও বয়স্কদের নিরাপত্তা নিয়ে বিশেষ দুশ্চিন্তায় পরিবারগুলি।
বন দফতরের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, চিতাবাঘটি সম্ভবত আশপাশের জঙ্গল বা জনবিরল এলাকায় আশ্রয় নিয়েছে। পশুটিকে নিরাপদে ধরার জন্য আরও খাঁচা পাতা হতে পারে। পাশাপাশি গ্রামবাসীদের সতর্ক থাকার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে। কেউ যেন একা মাঠে বা বনের পাশে না যান, এমন নির্দেশও দেওয়া হয়েছে।
এদিকে, আতঙ্কের মাঝেই গ্রামবাসীরা দ্রুত চিতাবাঘটিকে আটক করে এলাকায় স্বাভাবিকতা ফিরিয়ে আনার দাবি জানিয়েছেন। বন দফতরের কর্মীরা এলাকায় টহলদারি বাড়িয়ে পরিস্থিতির ওপর নজর রাখছেন।





