খবরিয়া ২৪ ডেস্ক, ২৩ ফেব্রুয়ারিঃ ভোটের বাদ্যি বেজে গিয়েছে। নিয়মিত বাংলায় আসছেন নরেন্দ্র মোদী ও অমিত শাহ। পাশাপাশি বিভিন্ন রাজ্য থেকে অবাঙালি ও বহিরাগত নেতাদের বাংলায় দায়িত্ব দিয়ে পাঠানো হচ্ছে। কেন্দ্রের নির্দেশে তাঁরা রাজ্যের বিভিন্ন বিধানসভা কেন্দ্রে সংগঠনের দায়িত্ব সামলাচ্ছেন। কিন্তু তাঁদের ঘিরে বাড়তি খরচ ও বিশেষ বন্দোবস্ত নিয়ে অন্দরে অসন্তোষ বাড়ছে বঙ্গ বিজেপিতে।
দলীয় সূত্রে খবর, ভিন রাজ্যের নেতাদের জন্য আলাদা দামি গাড়ি, শহরের নামী হোটেলে থাকার ব্যবস্থা এবং অন্যান্য আরাম-আয়েশের খরচ বহন করতে হচ্ছে রাজ্য নেতৃত্বকে। মাসান্তে একজন নেতার জন্য প্রায় দু’লক্ষ টাকা পর্যন্ত ব্যয় হচ্ছে বলে দাবি। একটি বিধানসভা কেন্দ্রে তিন থেকে পাঁচজন বহিরাগত নেতা ‘বিশেষ দায়িত্বে’ রয়েছেন। সেই হিসেবে ২৯৪টি কেন্দ্রে মোট সংখ্যা কয়েকশো ছাড়াচ্ছে। সব মিলিয়ে প্রতি মাসে প্রায় আঠারো কোটি টাকার ব্যয় হচ্ছে বলে দলের অন্দরেই আলোচনা।
এই বিপুল ব্যয় ঘিরে প্রশ্ন তুলছেন অনেক কর্মী ও পদাধিকারী। তাঁদের দাবি, বুথস্তরে সংগঠন মজবুত করার জন্য খরচ না বাড়িয়ে কেন বহিরাগত নেতাদের জন্য এত ব্যয়? একাধিক জেলা নেতার বক্তব্য, স্থানীয় কর্মীদের গুরুত্ব না দিয়ে বাইরে থেকে নেতাদের বসিয়ে দেওয়ায় মনোবল ভাঙছে। কেউ কেউ স্পষ্ট জানাচ্ছেন, বহিরাগত নেতাদের সঙ্গে ঘনিষ্ঠতা দেখানোরও প্রয়োজন নেই।
রাজ্য নেতৃত্বের একাংশেরও অস্বস্তি রয়েছে বলে জানা যাচ্ছে। তবে কেন্দ্রীয় নির্দেশ থাকায় প্রকাশ্যে কেউ মুখ খুলছেন না। ভোটের মুখে এই অভ্যন্তরীণ ক্ষোভ ভবিষ্যতে কতটা প্রভাব ফেলবে, তা নিয়েই এখন জল্পনা রাজনৈতিক মহলে।





