মালদা, ২৪ ফেব্রুয়ারিঃ মালদার গাজোল থানার রানীগঞ্জ ২ নম্বর গ্রাম পঞ্চায়েতের অন্তর্গত অলতোর ফরেস্ট এলাকায় এক মহিলাকে বাড়ি থেকে উচ্ছেদ, শ্লীলতহানি, মারধর ও প্রাণনাশের হুমকির অভিযোগ ঘিরে চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে। অভিযোগ উঠেছে তৃণমূল পরিচালিত গ্রাম পঞ্চায়েতের প্রধানের স্বামী তথা তৃণমূল নেতা লিটন বিশ্বাসের বিরুদ্ধে। নির্যাতিত পরিবার গাজোল থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছে। পুলিশ ইতিমধ্যেই তদন্ত শুরু করেছে।
অভিযোগকারী পরিবারের দাবি, বহু বছর ধরে তারা নিজেদের জমিতে বাড়ি করে বসবাস করছেন। কিছুদিন ধরে লিটন বিশ্বাস তাঁদের উচ্ছেদের হুমকি দিচ্ছিলেন এবং বসতভিটা দখলের চেষ্টা করছিলেন। নির্যাতিতা গৃহবধূর অভিযোগ, অভিযুক্ত দলবল নিয়ে বাড়িতে ঢুকে তাঁর স্বামীকে মারধর করেন। স্বামীকে বাঁচাতে গেলে তাঁকেও মারধর করা হয় এবং শ্লীলতাহানি করা হয় বলে অভিযোগ। পরিবারের সদস্যরা জানান, তাঁরা বর্তমানে আতঙ্কে দিন কাটাচ্ছেন।
নির্যাতিতার স্বামী ও শাশুড়ির বক্তব্য, “আমরা বহু বছর ধরে এখানে থাকছি। এখন বাড়িঘর ছেড়ে কোথায় যাব?” তাঁদের অভিযোগ, ক্ষমতার অপব্যবহার করে ভয় দেখানো হচ্ছে।
তবে সমস্ত অভিযোগ অস্বীকার করেছেন লিটন বিশ্বাস। তাঁর দাবি,অভিযোগ সম্পূর্ণ ভিত্তিহীন। তিনি বলেন, “ওরাই অন্যের জমি দখল করে বসে আছে। বিষয়টি নিয়ে কথা বলতে গিয়েছিলাম। আমাকে বদনাম করার চেষ্টা হচ্ছে।”
এদিকে গাজোলের বিজেপি বিধায়ক চিন্ময় দেব বর্মন তৃণমূল নেতার বিরুদ্ধে ক্ষমতার অপব্যবহারের অভিযোগ তুলে কড়া সমালোচনা করেছেন। রাজনৈতিক চাপানউতোরের মধ্যেই ঘটনার নিরপেক্ষ তদন্তের দাবি উঠেছে।





