কোচবিহার, ২৭ অক্টোবরঃ দুর্গাপুজোর উৎসব শেষ হলেও রেশ রয়ে গিয়েছে বিজয়ার শুভেচ্ছায়। উৎসবের সেই আবহেই পুলিশ প্রশাসন, জনপ্রতিনিধি এবং সমাজের বিভিন্ন স্তরের মানুষের মধ্যে সৌহার্দ্যের বন্ধন আরও দৃঢ় করার বার্তা নিয়ে আয়োজিত হল বিজয়া সম্মিলনী। কোচবিহার কোতোয়ালি থানার উদ্যোগে অনুষ্ঠিত এই অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন পুলিশ আধিকারিক থেকে শুরু করে জনপ্রতিনিধি, সমাজসেবী, ব্যবসায়ী সংগঠন ও সংবাদমাধ্যমের প্রতিনিধিরা।
প্রদীপ প্রজ্বলনের মধ্য দিয়ে অনুষ্ঠানের শুভ সূচনা হয়। বিজয়ার শুভেচ্ছা বিনিময়ের পাশাপাশি উৎসবের আবহে একে অপরের সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাতে মিলিত হন উপস্থিত বিশিষ্টজনেরা। পুলিশ প্রশাসন ও সমাজের বিভিন্ন স্তরের মানুষের এমন সমাবেশকে ঘিরে তৈরি হয় আন্তরিক পরিবেশ।
অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন নাটাবাড়ি কেন্দ্রের বিধায়ক, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার, ডিএসপি ট্রাফিক, ডিএসপি হেডকোয়ার্টার এবং ডিএসপি ক্রাইম। এ ছাড়াও উপস্থিত ছিলেন কোতোয়ালি থানার আইসি তথা এসিপি সুকুমার ঘোষ। পুলিশ প্রশাসনের একাধিক আধিকারিকের উপস্থিতি অনুষ্ঠানে বিশেষ গুরুত্ব যোগ করে।
পাশাপাশি অনুষ্ঠানে যোগ দেন বিশিষ্ট সমাজসেবী বিরাজ বসু, প্রাক্তন বিধায়ক, ব্যবসায়ী সমিতির সভাপতি ও সম্পাদক এবং জেলা প্রেস ক্লাবের সম্পাদক ও সহ-সম্পাদক-সহ অন্যান্য বিশিষ্টজনেরা। বিভিন্ন ক্ষেত্রের প্রতিনিধিদের উপস্থিতিতে বিজয়া সম্মিলনী হয়ে ওঠে পারস্পরিক শুভেচ্ছা বিনিময়ের একটি মিলনমঞ্চ।
দুর্গাপুজোকে কেন্দ্র করে মানুষের মধ্যে যে মিলন ও সম্প্রীতির পরিবেশ তৈরি হয়, বিজয়া সম্মিলনীর মতো অনুষ্ঠান সেই আবহকে আরও কিছুটা দীর্ঘায়িত করে। প্রশাসন, জনপ্রতিনিধি, ব্যবসায়ী মহল, সমাজকর্মী এবং সংবাদমাধ্যমের প্রতিনিধিদের একসঙ্গে উপস্থিতি সামাজিক যোগাযোগ ও পারস্পরিক সৌজন্য বজায় রাখার ক্ষেত্রেও তাৎপর্যপূর্ণ।
সব মিলিয়ে, কোচবিহার কোতোয়ালি থানার এই বিজয়া সম্মিলনী শুধুমাত্র উৎসব-পরবর্তী শুভেচ্ছা বিনিময়ের অনুষ্ঠানেই সীমাবদ্ধ থাকেনি। বিভিন্ন ক্ষেত্রের মানুষের একত্রিত হওয়ার মধ্য দিয়ে সামাজিক সম্প্রীতি ও সৌহার্দ্যের বার্তাও উঠে এসেছে। উৎসবের আনন্দ ভাগ করে নেওয়ার এই উদ্যোগে উপস্থিত বিশিষ্টজনেরা একে অপরকে বিজয়ার শুভেচ্ছা জানান।






