আবহাওয়া আইপিএল-2025 টাকা পয়সা পশ্চিমবঙ্গ ভারত ব্যবসা চাকরি রাশিফল স্বাস্থ্য প্রযুক্তি লাইফস্টাইল শেয়ার বাজার মিউচুয়াল ফান্ড আধ্যাত্মিক অন্যান্য

---Advertisement---

সোশ্যাল মিডিয়ায় নজরদারি বাড়াতে উদ্যোগ, একাধিক মন্ত্রককে ব্লক করার ক্ষমতা দেওয়ার ভাবনা কেন্দ্রের, মতপ্রকাশের স্বাধীনতা নিয়ে উঠছে প্রশ্ন

Published on: March 19, 2026
---Advertisement---

নয়াদিল্লি, ১৯ মার্চঃ সোশ্যাল মিডিয়ায় ভুয়ো ও ক্ষতিকারক কনটেন্ট নিয়ন্ত্রণে বড় পদক্ষেপের ইঙ্গিত দিল ভারত সরকার। বর্তমানে শুধুমাত্র ইলেকট্রনিক্স ও তথ্যপ্রযুক্তি মন্ত্রকের হাতে থাকা কনটেন্ট ব্লক করার ক্ষমতা ভবিষ্যতে অন্যান্য মন্ত্রকের কাছেও দেওয়া হতে পারে বলে জানিয়েছেন কেন্দ্রীয় তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রী অশ্বিনী বৈষ্ণব।
একটি সর্বভারতীয় সংবাদমাধ্যমকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে তিনি জানান, বিভিন্ন মন্ত্রকের আধিকারিকদের নিয়ে একটি বিশেষ কমিটি গঠন করা হয়েছে। এই কমিটি সোশ্যাল মিডিয়ায় ছড়িয়ে পড়া ভুয়ো ও ক্ষতিকারক তথ্য নিয়ন্ত্রণের জন্য একটি প্রস্তাব তৈরি করছে। সেই প্রস্তাবে কীভাবে ব্লক করার ক্ষমতা বিকেন্দ্রীকরণ করা যায়, তা বিস্তারিতভাবে উল্লেখ থাকবে।

ডিপফেক ভিডিওর প্রসঙ্গ টেনে বৈষ্ণব বলেন, অনেক সময় সাধারণ মানুষ যাচাই না করেই সোশ্যাল মিডিয়ার কনটেন্ট শেয়ার করেন, যার ফলে বিভ্রান্তি ছড়ায়। বর্তমানে তথ্যপ্রযুক্তি মন্ত্রক এই ধরনের কনটেন্ট যাচাই করে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেয়। তবে একাধিক মন্ত্রকের হাতে এই ক্ষমতা থাকলে দ্রুত পদক্ষেপ নেওয়া সম্ভব হবে বলে মনে করছেন তিনি।

মন্ত্রী আরও জানান, এই ক্ষমতা বাড়ানোর জন্য তথ্যপ্রযুক্তি আইন সংশোধন না করেও বিকল্প উপায় খোঁজা হচ্ছে। অর্থাৎ প্রশাসনিক স্তরেই কিছু পরিবর্তন এনে এই ব্যবস্থাকে কার্যকর করার পরিকল্পনা চলছে।
তবে এই উদ্যোগ ঘিরে ইতিমধ্যেই বিতর্ক শুরু হয়েছে। বিশেষ করে ‘ক্ষতিকারক কনটেন্ট’-এর সংজ্ঞা কী হবে, তা নিয়ে প্রশ্ন তুলছেন বিশেষজ্ঞরা। তাঁদের আশঙ্কা, সরকারের সমালোচনামূলক পোস্টও কি এই আইনের আওতায় পড়বে? সেই ক্ষেত্রে মতপ্রকাশের স্বাধীনতা ক্ষুণ্ণ হতে পারে।
আরও একটি বড় প্রশ্ন উঠছে ক্ষমতার বিকেন্দ্রীকরণ নিয়ে। যদি একাধিক মন্ত্রকের হাতে কনটেন্ট ব্লক করার ক্ষমতাথাকে, তাহলে ব্লক হওয়া পোস্টের সংখ্যা বাড়তে পারে কি না, তা নিয়েও উদ্বেগ প্রকাশ করা হচ্ছে।
রাজনৈতিক মহলের একাংশ মনে করছে, আসন্ন বিধানসভা নির্বাচনকে সামনে রেখে সোশ্যাল মিডিয়ায় প্রচার নিয়ন্ত্রণ করতেই এই উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে। কারণ বর্তমানে বিভিন্ন রাজনৈতিক দল সোশ্যাল মিডিয়াকে প্রচারের অন্যতম প্রধান মাধ্যম হিসেবে ব্যবহার করছে।

সব মিলিয়ে, ভুয়ো খবর ও ডিপফেক রুখতে সরকারের এই পদক্ষেপ একদিকে যেমন গুরুত্বপূর্ণ বলে মনে করা হচ্ছে, অন্যদিকে মতপ্রকাশের স্বাধীনতা নিয়ে উদ্বেগও বাড়াচ্ছে। ভবিষ্যতে এই প্রস্তাব কীভাবে বাস্তবায়িত হয় এবং তার প্রভাব কী হয়, এখন সেদিকেই নজর রয়েছে সকলের।

Dipa Hore

Dipa Hore is working as Sub Editor. Presently she is attached with Khaboriya24 Online News Portal. Dipa Hore is involved in Copy Editing, Uploading in website.

Join WhatsApp

Join Now

Join Telegram

Join Now

Leave a Comment