কলকাতা, ১৫ অক্টোবরঃ রাজ্যে রাজনৈতিক পালাবদলের পর প্রথম দুর্গাপুজো। আর সেই উৎসবের আবহেই কলকাতার পুজোয় নতুন উদ্যমের ছোঁয়া দেখছেন টলিউড সুপারস্টার জিৎ। মহালয়ায় ইডেন গার্ডেন্সে তিন হাজার ঢাকির সমাহার, চোখধাঁধানো আলোর আয়োজন এবং ড্রোনের আলোয় আকাশজুড়ে দুর্গার অবয়ব সব মিলিয়ে এ বছরের পুজো ইতিমধ্যেই নজর কেড়েছে। এই আবহে নতুন সরকারের হাত ধরে উৎসবের আয়োজন ঘিরে নিজের উচ্ছ্বাস প্রকাশ করলেন অভিনেতা। তাঁর কথায়, নতুন দল, নতুন সরকার, নতুন উদ্যম এবারের পুজোয় যেন বাড়তি একটা এনার্জি রয়েছে।
বুধবার রাতে সুরুচি সংঘের মণ্ডপে ঠাকুর দেখতে গিয়ে সংবাদমাধ্যমের মুখোমুখি হন জিৎ। পুজোর আনন্দ ভাগ করে নিতে আসা অভিনেতার কথায়, সুরুচি তাঁর পরিচিত পুজো। আগেও এসেছেন, এ বারও এলেন। তবে রাজনৈতিক পালাবদলের পর এবারের উৎসবের আবহ তাঁর কাছে কিছুটা আলাদা। জিতের কথায়, “পাড়ার পুজো। আমি আগেও এসেছি, এবারও এলাম। তবে এবার নতুন দল, নতুন সরকার, নতুন উদ্যম, নতুন এনার্জি রয়েছে। আর আগামী দিনে এই সরকারের হাত ধরেই আমাদের সকলকে এগোতে হবে।”
শুধু কলকাতার মণ্ডপ নয়, পূর্ব মেদিনীপুরেও পুজোর উদ্বোধনে যোগ দিয়েছেন অভিনেতা। মঙ্গলবার কাঁথির নান্দনিক ক্লাবের দুর্গাপুজোর উদ্বোধন করেন তিনি। সেখানে উপস্থিত ছিলেন শিশির অধিকারীও। মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারীর পাড়ার পুজো হিসেবে পরিচিত ওই ক্লাবের অনুষ্ঠানে অংশ নিতে পেরে নিজের ভাল লাগার কথাও জানিয়েছেন জিৎ। তাঁর বক্তব্য, শিশির অধিকারীর পাশে থাকার এবং তাঁর সঙ্গে কথা বলার সুযোগ পেয়ে ভাল লেগেছে।
নান্দনিক ক্লাবের এ বছরের থিম ‘পুণ্যভূমি মেদিনীপুরের বীরগাথা’। ৪৭তম বর্ষের এই পুজোয় অভিনেতার উপস্থিতি ঘিরেও ছিল উৎসাহ। কাঁথি থেকে ফিরে কলকাতার মণ্ডপে ঠাকুরদর্শন উৎসবের মেজাজেই কাটছে জিতের পুজোর দিনগুলি।
এ বার অবশ্য পুজোয় জিতের কোনও নতুন ছবি মুক্তি পাচ্ছে না। তা নিয়ে বিশেষ আক্ষেপও নেই অভিনেতার। কাজের প্রসঙ্গে তাঁর বক্তব্য, সততার সঙ্গে কাজ করলে অযথা চিন্তার কারণ থাকে না।
রাজনৈতিক পালাবদলের আবহে পুজোর আয়োজন নিয়ে জিতের মন্তব্য নতুন করে আলোচনার জন্ম দিয়েছে। তবে অভিনেতার কাছে উৎসবের মূল সুর একটাই মায়ের দর্শন, আনন্দ আর মানুষের সঙ্গে পুজোর মুহূর্ত ভাগ করে নেওয়া।





