আবহাওয়া আইপিএল-2025 টাকা পয়সা পশ্চিমবঙ্গ ভারত ব্যবসা চাকরি রাশিফল স্বাস্থ্য প্রযুক্তি লাইফস্টাইল শেয়ার বাজার মিউচুয়াল ফান্ড আধ্যাত্মিক অন্যান্য

---Advertisement---

ককরোচ বিক্ষোভে দিল্লি অবরুদ্ধ কেন? সুপ্রিম কোর্টে নিঃশর্ত ক্ষমা স্বরাষ্ট্রসচিবের, নিরাপত্তার যুক্তি কেন্দ্রের

Published on: October 15, 2026
---Advertisement---

নয়াদিল্লী, ১৫ অক্টোবরঃ বিক্ষোভ সামলাতে নিরাপত্তার ঘেরাটোপে কার্যত অবরুদ্ধ রাজধানী। বন্ধ ট্রেন, মেট্রো স্টেশনে বিধিনিষেধ, ইন্টারনেট পরিষেবাও ব্যাহত। দিল্লিতে ককরোচ জনতা পার্টির (সিজেপি) আন্দোলন ঘিরে সেই নজিরবিহীন নিরাপত্তাব্যবস্থার ব্যাখ্যা দিতে এ বার সুপ্রিম কোর্টের দ্বারস্থ কেন্দ্র। দিল্লি পুলিশের হলফনামায় দাবি, সাধারণ মানুষের নিরাপত্তা এবং আইনশৃঙ্খলা বজায় রাখতেই ওই ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছিল। তবে আদালতের নির্দেশ পালনে ব্যর্থতার জন্য নিঃশর্ত ক্ষমা চাইলেন কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রসচিব গোবিন্দ মোহন। একই সঙ্গে বিশেষ পরিস্থিতিতে ইন্টারনেট বন্ধ রাখার বিষয়ে আদালতের নির্দেশ পুনর্বিবেচনার আর্জিও জানিয়েছে কেন্দ্র।

গত ১০ অক্টোবর মুখ্য নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমারের পদত্যাগের দাবিতে দিল্লিতে বিক্ষোভের ডাক দিয়েছিল সিজেপি। সেই কর্মসূচিকে কেন্দ্র করে রাজধানীতে ব্যাপক নিরাপত্তার ব্যবস্থা করা হয়। অভিযোগ, ৮ অক্টোবর রাত থেকেই দিল্লিগামী ট্রেন চলাচলে বিধিনিষেধ জারি করা হয়েছিল। বন্ধ রাখা হয়েছিল ৫৭টি মেট্রো স্টেশন। রাইসিনা হিলের চার কিলোমিটার ব্যাসার্ধের এলাকায় ইন্টারনেট পরিষেবাও বন্ধ করা হয়। বিভিন্ন জায়গায় ব্যারিকেডের পাশাপাশি মোতায়েন করা হয়েছিল বিপুল সংখ্যক নিরাপত্তাকর্মী।

কিন্তু এই পদক্ষেপ ঘিরেই প্রশ্ন ওঠে। কারণ, বিক্ষোভের জেরে সাধারণ মানুষের যাতায়াত ও যোগাযোগ ব্যবস্থা ব্যাহত করা যাবে না বলে সুপ্রিম কোর্ট আগেই নির্দেশ দিয়েছিল বলে দাবি। সেই নির্দেশের পরেও কেন এত কড়াকড়ি করা হল, তা নিয়ে আদালতে জবাবদিহির মুখে পড়েছে কেন্দ্র।

দিল্লি পুলিশের হলফনামায় বলা হয়েছে, নাগরিকদের সুরক্ষা এবং সম্ভাব্য আইনশৃঙ্খলাজনিত পরিস্থিতি এড়াতেই এই পদক্ষেপ করা হয়েছিল। অন্য দিকে, স্বরাষ্ট্রসচিব গোবিন্দ মোহন আদালতে নিঃশর্ত ক্ষমা চেয়ে জানিয়েছেন, নির্দেশ অমান্য করার ঘটনা ইচ্ছাকৃত ছিল না। এই প্রেক্ষিতে তাঁর বিরুদ্ধে জারি হওয়া আদালত অবমাননার নোটিস প্রত্যাহারেরও আবেদন জানিয়েছে কেন্দ্র।

পাশাপাশি, বিশেষ পরিস্থিতিতে প্রয়োজন হলে ইন্টারনেট পরিষেবা বন্ধ রাখার অনুমতি চেয়ে আদালতের আগের নির্দেশ সংশোধনের আর্জি জানানো হয়েছে। কেন্দ্রের বক্তব্য, ভবিষ্যতে এ ধরনের পদক্ষেপ করা হলেও তা আইনি বিধি মেনেই করা হবে।

বিক্ষোভ নিয়ন্ত্রণে প্রশাসনের ক্ষমতা এবং নাগরিকদের স্বাভাবিক জীবনযাপনের অধিকারের মধ্যে ভারসাম্য কোথায় থাকবে, দিল্লির এই ঘটনা ফের সেই প্রশ্ন সামনে আনল। কেন্দ্রের যুক্তি ও ক্ষমাপ্রার্থনার পর সুপ্রিম কোর্ট কী অবস্থান নেয়, এখন নজর সেদিকেই।

Manirul Hoque

Manirul Hoque is working as Sub Editor. Presently he is attached with Khaboriya24 Online News Portal. Manirul is involved in Copy Editing, Uploading in website.

Join WhatsApp

Join Now

Join Telegram

Join Now

Leave a Comment