দিনহাটা, ১৪ অক্টোবরঃ পুজোর আনন্দে শহরজুড়ে মানুষের ঢল নামার আগেই যানজটের মোকাবিলায় প্রস্তুতি শুরু করল পুলিশ। দুর্গাপুজোর চতুর্থীর বিকেল ৪টে থেকেই দিনহাটা শহরের একাধিক রাস্তায় জারি হচ্ছে নো এন্ট্রি বিধিনিষেধ। পুজোর মণ্ডপে মণ্ডপে দর্শনার্থীদের যাতায়াত নির্বিঘ্ন রাখা, যানজট এড়ানো এবং শহরের রাস্তায় শৃঙ্খলা বজায় রাখতেই এই বিশেষ ব্যবস্থা। একই সঙ্গে শহরের পাঁচটি জায়গায় নির্দিষ্ট পার্কিং জোন তৈরি করা হয়েছে। নিরাপত্তা ও যান চলাচল নিয়ন্ত্রণে বিভিন্ন এলাকায় থাকবে ন’টি পুলিশ বুথ।
পুজোর দিনগুলিতে দিনহাটা শহরের রাস্তায় ভিড় বাড়াই স্বাভাবিক। বিকেল গড়িয়ে সন্ধ্যা নামতেই মণ্ডপে মণ্ডপে দর্শনার্থীদের ভিড় জমে। তার সঙ্গে পাল্লা দিয়ে বাড়ে টোটো, মোটরবাইক, গাড়ি-সহ বিভিন্ন যানবাহনের চাপ। ফলে যানজটের আশঙ্কা থেকেই যায়। সেই পরিস্থিতি এড়াতে আগেভাগেই রাস্তায় যান চলাচল নিয়ন্ত্রণের পরিকল্পনা করেছে পুলিশ। চতুর্থীর বিকেল ৪টে থেকে কার্যকর হবে নো এন্ট্রি ব্যবস্থা। নির্দিষ্ট পয়েন্টগুলিতে যানবাহন চলাচলে বিধিনিষেধ মানতে হবে চালকদের।
শহরের আটটি জায়গাকে নো এন্ট্রি পয়েন্ট হিসেবে চিহ্নিত করা হয়েছে। সেগুলি হল পুঁটিমারি শারীরশিক্ষা মহিলা মহাবিদ্যালয়, কৃষিমেলা সরকারি বাসস্ট্যান্ড, বৌবাজারের সোনার বাংলা ভবন, সাহেবগঞ্জ রোডের কৃষিফার্ম, বিনয় চৌধুরীর ভবন, গোসানিরোডের কৃষিফার্ম, রাসবিহারী মোড় এবং বার্নিংঘাট রোড। এই পয়েন্টগুলিতে যান চলাচল নিয়ন্ত্রণের মাধ্যমে শহরের গুরুত্বপূর্ণ রাস্তাগুলিতে ভিড়ের চাপ কমানোর লক্ষ্য নেওয়া হয়েছে।
শুধু যান চলাচলে বিধিনিষেধ নয়, গাড়ি রাখার ক্ষেত্রেও নির্দিষ্ট ব্যবস্থা করা হয়েছে। পুঁটিমারি হাইস্কুলের মাঠ, বৌবাজারের সোনারতরি বাংলা মাঠ, সাহেবগঞ্জ রোডের বিনয় চৌধুরীর গোডাউন, গোসানিরোডের কৃষিমেলা মাঠ এবং বার্নিংঘাট এলাকায় পার্কিং জোন করা হয়েছে। দর্শনার্থীদের নির্দিষ্ট জায়গায় গাড়ি রেখে মণ্ডপে যাওয়ার পরামর্শ দেওয়া হচ্ছে।
পুজোর আনন্দে যাতে যানজটের ভোগান্তি বাধা না হয়ে দাঁড়ায়, সেই লক্ষ্যেই পুলিশের এই উদ্যোগ। প্রশাসনের পরিকল্পনা সফল করতে সাধারণ মানুষ ও পুজো দর্শনার্থীদের যান চলাচলের বিধিনিষেধ মেনে চলা এবং নির্দিষ্ট পার্কিং জোন ব্যবহার করার অনুরোধ জানানো হচ্ছে।





