খবরিয়া ২৪ ডেস্ক, ৫ মার্চঃ পরীক্ষা দিতে গিয়ে আচমকা তীব্র পেটব্যথা, আর তার কিছুক্ষণের মধ্যেই সন্তানের জন্ম। চাঞ্চল্যকর এই ঘটনা ঘটেছে নাগারকুর্নুল জেলায়। পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, একটি আবাসিক বালিকা বিদ্যালয়ের ১৬ বছরের এক ছাত্রী পরীক্ষা দেওয়ার সময় হঠাৎ প্রবল পেটের যন্ত্রণায় অসুস্থ হয়ে পড়ে। পরে ডায়গনস্টিক সেন্টারের শৌচালয়েই সন্তানের জন্ম দেয় সে।
জানা গিয়েছে, পরীক্ষার প্রায় ঘণ্টাখানেক পরেই তীব্র পেটব্যথা শুরু হয় ওই কিশোরীর। স্কুল কর্তৃপক্ষ বিষয়টি পরিবারের সদস্যদের জানালে তাঁরা দ্রুত মেয়েটিকে একটি বেসরকারি হাসপাতালে নিয়ে যান। সেখানে চিকিৎসকেরা প্রাথমিক পরীক্ষা করে আরও কিছু মেডিক্যাল পরীক্ষার পরামর্শ দেন। সেই কারণেই কাছাকাছি একটি ডায়গনস্টিক সেন্টারে নিয়ে যাওয়া হয় কিশোরীকে।
ডায়গনস্টিক সেন্টারে পৌঁছনোর কিছুক্ষণ পর কিশোরী ও তার মা শৌচালয়ে প্রবেশ করেন। অভিযোগ, সেখানেই সন্তানের জন্ম দেয় ওই নাবালিকা। পরে সদ্যোজাত শিশুটিকে শৌচালয়ের ময়লা ফেলার ডাস্টবিনে ফেলে দেওয়া হয় বলে অভিযোগ তুলেছেন ডায়গনস্টিক সেন্টারের কর্মীরা। বিষয়টি তাঁদের নজরে আসতেই তাঁরা দ্রুত পুলিশকে খবর দেন।
খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে তদন্ত শুরু করে। শিশুটির অবস্থার বিষয়ে বিস্তারিত জানানো না হলেও পুরো ঘটনার পিছনের কারণ খতিয়ে দেখা হচ্ছে। বিশেষ করে কীভাবে ওই নাবালিকা গর্ভবতী হল এবং এর পিছনে কারা জড়িত, তা জানার চেষ্টা করছেন তদন্তকারীরা। কিশোরী এবং তার মাকে জিজ্ঞাসাবাদ করা হচ্ছে বলেও জানা গিয়েছে।
পুলিশ সূত্রে খবর, প্রাথমিক তদন্তের ভিত্তিতে যৌন অপরাধ থেকে শিশুদের সুরক্ষা আইন-এর আওতায় মামলা রুজু করা হবে কি না, তাও খতিয়ে দেখা হচ্ছে।
উল্লেখ্য, এর আগেও এমন ঘটনা সামনে এসেছে। গত মাসে মধ্যপ্রদেশ-এ মাধ্যমিক পরীক্ষার সময় পরীক্ষাকেন্দ্রেই এক ১৭ বছরের কিশোরী সন্তানের জন্ম দিয়েছিল। ফলে নাবালিকাদের স্বাস্থ্য, নিরাপত্তা এবং সামাজিক সচেতনতা নিয়ে নতুন করে প্রশ্ন উঠতে শুরু করেছে।





